শুক্রবার | ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯ | ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

টেলিকম ও প্রযুক্তি

সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে পাঠাও-এটুআইয়ের ‘সেফটি ফার্স্ট’ উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

সড়ক নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে অন-ডিমান্ড রাইডশেয়ারিং প্লাটফর্ম পাঠাও লিমিটেড এবং আইসিটি সেবা প্রদানকারী সংস্থা অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) সম্মিলিতভাবেসেফটি ফার্স্ট নামে একটি ইভেন্ট আয়োজন করেছে। গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, পাঠাওয়ের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মর্তুজা এবং পাঠাওয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হুসেইন মো. ইলিয়াস উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা কারো কাছেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাই সড়ক নিরাপদ করার পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে। সাধারণ মানুষকে রাস্তা পারাপারের ক্ষেত্রে ফুট ওভারব্রিজ, জেব্রা ক্রসিং, আন্ডারপাস ব্যবহারে আরো সচেতন হতে হবে।

পাঠাওয়ের সেফটি ফার্স্ট উদ্যোগের প্রশংসা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সড়ক নিরাপদ রাখতে মানুষকে আইন মানতে সচেতন করতে হবে। জনসচেতনতামূলক এ ধরনের উদ্যোগ সব প্রতিষ্ঠানেরই নেয়া উচিত।

মাশরাফি বিন মর্তুজা বলেন, সড়কে শৃঙ্খলা আনতে আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। একজন রাইডারের যেমন দায়িত্ব ঠিকভাবে ড্রাইভ করা। একইভাবে যাত্রীদেরও সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। পাঠাও সবসময় তরুণদের অগ্রাধিকার দেয়। তাই আমাদের তরুণ সমাজেরও উচিত নিজেদের দায়িত্বটা সুষ্ঠুভাবে পালন করা। গতি নিয়ন্ত্রণে রেখে, ট্রাফিক আইন মেনে সড়কে গাড়ি বা মোটরসাইকেল চালাতে হবে।

পাঠাওয়ের সিইও হুসেইন মো. ইলিয়াস বলেন, সচেতনতা বাড়াতে পাঠাও সবসময় স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করছে এবং রাইডার ও যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে আসছে। পাঠাওয়ে রাইডার অন্তর্ভুক্ত করার আগে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। বৈধ লাইসেন্স, মোটরসাইকেল বা গাড়ির ফিটনেস এবং চালানোর দক্ষতা পরীক্ষার ভিত্তিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন