সোমবার | নভেম্বর ১৮, ২০১৯ | ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

টেরাকোটা-পর্ব ৩

চট্টগ্রামের ঔপনিবেশিক ইমারত

আরেফিন আবীর

বঙ্গোপসাগরের মোহনা থেকে সামান্য ভেতরে কর্ণফুলী নদীর ডান তীরে বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন বন্দরগুলোর একটি চট্টগ্রাম পশ্চিম থেকে আরব আর পূর্ব থেকে চৈনিক বণিকরা আকৃষ্ট হয় বন্দরের প্রতি চট্টগ্রামের ভূরাজনৈতিক অবস্থান প্রতিটি ক্ষেত্রে বাইরের আক্রমণকারী ভাগ্যান্বেষীদের ডেকে এনেছে বিভিন্ন বিদেশী শক্তির বাণিজ্য বিস্তারের ধারাবাহিকতায় প্রথমবারের মতো ইউরোপীয়রা চট্টগ্রামে আসে ১৫১৭ খ্রিস্টাব্দে তখন চট্টগ্রামের মাটিতে পা রাখা জোয়াও কোয়েলহো ছিলেন একজন পর্তুগিজ জাহাজের ক্যাপ্টেন ফেরনাও পেরেস দ্য আন্দ্রেদার বার্তাবাহক কোয়েলহোর পর তার দেখানো পথ ধরে চট্টগ্রামে এসেছিলেন জোয়াও দ্য সিলভেরাও তখন পর্তুগিজ বণিকরা বিশ্রামের জন্য বাংলার সুলতানের কাছে একটি স্থাপত্য নির্মাণের আবেদন করেন কিন্তু তার বিরুদ্ধে উপসাগরে জলদস্যুতার অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের আশ্রয়স্থল তৈরির প্রচেষ্টা বাংলার সুলতান মেনে নেননি এর প্রায় এক দশক পরে মার্টিম আফন্সো দ্য মিলো ১৫২৮ খ্রিষ্টাব্দে সন্দ্বীপের গহিন এলাকায় একটি দুর্গ নির্মাণ করেছিলেন বলে জানা গেছে

এরপর ১৫৩৭ খ্রিস্টাব্দের পর বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বদল লক্ষ করা গেছে তখনকার রাজনৈতিক বাস্তবতা মেনে নিয়ে সুলতান মাহমুদ শাহ্ পর্তুগিজদের চট্টগ্রামে স্থাপনা নির্মাণের অনুমতি দিয়েছিলেন নুনো ফার্নান্দেজ ফ্রিয়ার তখন নির্মিত ওই কাস্টম হাউজের প্রধান নিযুক্ত হয়েছিলেন সময়কালের ভিত্তিতে চট্টগ্রামের ঔপনিবেশিক স্থাপত্যগুলো দুটি শ্রেণীতে ভাগ করা যেতে পারে প্রথমটাকে প্রাক-ঔপনিবেশিক, পরেরগুলোকে পরবর্তী ঔপনিবেশিক যুগের স্থাপত্য হিসেবে চিহ্নিত করা যায় চট্টগ্রামে প্রাপ্ত সময়কালের স্থাপত্যের স্থাপত্যিক শৈলী এবং অলংকরণ সুস্পষ্টভাবে সমসাময়িক ইউরোপীয় ঐতিহ্যের অনুসারী তবে ধরনের ভবনের সংখ্যা খুব বেশি নয় পাশাপাশি তাদের সম্পর্কে প্রাপ্ত তথ্যও অপ্রতুল

১৮৮৭ থেকে ১৯৪৫ পর্যন্ত তৈরি ৪১টি ভবন ইমারত রয়েছে চট্টগ্রামে ফলে ঔপনিবেশিক যুগের স্থাপত্যের গবেষণার ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম অনেক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বিশেষ করে অনেক ভবন রয়েছে গণপূর্ত বিভাগের নিয়ন্ত্রণের বাইরে, যা তালিকায় ঠাঁই পায় না অন্যদিকে বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রধান কার্যালয়ে পুরনো দস্তাবেজ অত্যন্ত যত্নে রক্ষিত তখন নির্মিত প্রাচীন ভবনগুলোর অনেক আদি নকশাও অতি সতর্কতার সঙ্গে সেখানে সংরক্ষিত বলে জানা গেছে এই নথিগুলো পর্যালোচনা করা গেলে সহজেই তার নির্মাণ-ইতিহাস উদ্ধার করা যেতে পারে উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে নথির আলোকেই পরবর্তীকালে বটতলী রেলওয়ে স্টেশনের সফল সংরক্ষণকাজ শেষ হয়

চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থাপত্যের অন্যতম হচ্ছে দারুল আদালত, যা মাদ্রাসা পাহাড় নামে পরিচিত একটি উঁচু পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত দ্বিতল ভবনের ধ্বংসাবশেষ পরিলক্ষিত হয় চট্টগ্রাম শহরের চন্দনপুরা মহল্লার মহসিন কলেজ এলাকায় ইমারতটির উত্তর-পূর্ব উত্তর-পশ্চিম কোনায় অসম মাপের বাহু-গঠিত এক একটি সংযুক্ত অষ্টকোনাকৃতি বুরুজ এবং ভেতরে পেঁচানো সিঁড়ি রয়েছে টাওয়ারের শীর্ষে রয়েছে নিচু গম্বুজ সজ্জিত চিলেকোঠা এই স্থাপত্যের খোলা ছাদের দিকে বের হওয়ার দরজাগুলোর উপরিভাগে রয়েছে বিশেষ ধরনের পেডিমেন্ট আটকোনা চিলেকোঠার প্রত্যেক কোনায় রয়েছে এক একটি সরু সংযুক্ত স্তম্ভ এই স্তম্ভগুলোর শীর্ষদেশ আয়নিক রীতিতে অলংকৃত প্রত্যেক দরজার সরদলের উপরে ভার মোচনকারী খিলানের মধ্যভাগে আছে একটি সুপ্রত্যক্ষ বন্ধনী-প্রস্তর কুঠুরির বহির্দেয়াল সজ্জায় ব্যবহূত হয়েছে খিলানযুক্ত কুলুঙ্গি এবং অনুরূপ তির্যক কুলুঙ্গি দেখা যায় স্থাপনাটির ভেতরের দেয়ালে গম্বুজের ঠিক নিচে

স্থাপত্যটির বাইরের অংশ বেশ সাদামাটা নিরাভরণ খুব সম্ভবত ব্যবহারিক দিক ব্যয়-সংকোচন করতে গিয়ে এমনটি হয়ে থাকতে পারে অন্যদিকে ভবনটি উত্তরমুখী এবং পূর্ব-পশ্চিমে বিন্যস্ত হয়ে আছে গাঠনিকভাবে এর ঠিক সামনে গড়ে উঠেছিল মানানসই উন্মুক্ত পরিসরের একটি স্থান বর্তমানে এখানে একটি মসজিদ দপ্তর স্থাপন করা হয়েছে অন্যদিকে পাহাড়ের ঢাল বেয়ে ওঠা প্রশস্ত সিঁড়ির সারি পাহাড়শীর্ষের ভবনটির সম্মুখ অংশ ভূমি নকশা আয়তাকার তবে এর পেছনের অংশের দুপাশে রয়েছে ত্রিকোণ আকৃতির অবকাঠামো প্রথম দিকে ইংরেজরা দারুল আদালত হিসেবে ভবনটি ব্যবহার করেছিল পরে মহসিন ওয়াকফ তহবিলের অর্থানুকূল্যে ১৮৭৪ সালে এখানে স্থাপিত হয়েছিল চট্টগ্রাম মাদ্রাসা অন্যদিকে এই মাদ্রাসা পাহাড়ের পূর্ব ঢালে বর্তমান চট্টগ্রাম কলেজ এলাকায় অবস্থিত ছিল একটি বর্গাকার একতলা ভবন, যা ফ্যাক্টরি গুদামঘর হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম শহরের চন্দনপুরা মহল্লায় অবস্থিত ওই ভবনটি ১৯৬৪ সালে ভেঙে ফেলা হয়

চট্টগ্রামের পরীর পাহাড় বা ফেয়ারিস হিলের উঁচু শীর্ষে ১৮৯২ থেকে ১৮৯৮ সালের মধ্যে নির্মিত এবং সাড়া অবিভক্ত বঙ্গে ব্যাপক পরিচিত বৃহদাকার ইমারত হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে আদালত ভবনটি ভবনটির চতুর্দিকের উন্মুক্ত পাহাড়ি পরিসরে রচিত হয় মনোরম উদ্যান এবং উত্তর দিকের উপত্যকায় ছিল বড় দুটি পুকুর বঙ্গদেশে উদ্ভাবিত ইন্দোব্রিটিশ স্থাপত্যের একটি অপূর্ব নিদর্শন চট্টগ্রাম আদালত ভবন ইউরোপীয় মোগল, উভয় ধারার স্থাপত্যিক শৈলীর সঙ্গে মূর্ত হয়েছে কিছু দেশজ শোভাকর মোটিফ; মোগল মসজিদ স্থাপত্য প্রভাবিত ভবনের ভূমি নকশা ইমারতটির মধ্যাংশ ফ্রন্টনের আদলে প্রসারিত এবং এর উভয় দিকে জুড়ে দেয়া আছে মাথায় অভিনব আকৃতির ক্ষুদ্র গম্বুজ সজ্জিত দুটি সরু বুরুজ নির্মাণস্থলের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ভবন-পরিকল্পনার অন্যান্য কারিগরি দিকগুলো সুস্পষ্টভাবে প্রভাবিত করেছে পূর্ব থেকে পশ্চিমে বিন্যস্ত মূল ইমারতটি আয়তাকার ভবনে রয়েছে অনেকগুলো খিলান, যার অলংকরণে ব্যবহূত হয়েছে উভয় পাশে উচ্চাবচ পর্ণরাজির স্টাকৌ আদলসহ অভিক্ষিপ্ত পট্টি বেষ্টিত গোলাকৃতির  ছিদ্র, চতুর্কেন্দ্রিক গথিক তোরণ, পোড়ামাটির পদ্ম মোটিফ, ইউরোপীয় পেডিমেন্ট আকৃতি, কুলুঙ্গি কোটর এবং অন্যান্য রকমের দেশী বিদেশী মোটিফ সজ্জা

অন্যদিকে ১৮৪০ সালে স্থাপিত ডিসপেনসারিটি আন্দরকিল্লার রংমহল পাহাড়ে জেনারেল হাসপাতাল হিসেবে উন্নীত হয় আরাকানি দুর্গের অবস্থানস্থল হওয়ায় এই পাহাড়টি ঐতিহাসিক গুরুত্বসম্পন্ন, দুর্গটি ১৬৬৬ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রাম বিজয়ের সময় মোগল নৌবাহিনীর অভিযানের ফলে ভস্মীভূত ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় রংমহল পাহাড়ে শিমুলগাছের তলায় ১৯০৪ সালের ২০ জুলাই ধ্যানী বুদ্ধের একটি মূর্তি পাওয়া যায় মুর্তিটি এখন চট্টগ্রাম বৌদ্ধবিহারে রক্ষিত আছে বর্তমানে হাসপাতাল ভবনের উত্তর দিকের বর্ধিত অংশের তলায় দৃশ্যমান হয়েছে .২৪ মিটার প্রস্থের একটি প্রাচীন দেয়ালের ধ্বংসাবশেষ ঔপনিবেশিক আমলের হাসপাতাল ভবনটি দ্বিতল এর উত্তর ফাসাদের মধ্যাংশে জুড়ে দেয়া আছে পেঁচানো সিঁড়িসমেত একটি অর্ধ-অষ্টকোণ বুরুজ ৪০ জন পুরুষ বারো জন মহিলা মোট বায়ান্ন জন রোগী থাকার সংস্থান ছিল হাসপাতালে ভবনটি বর্তমানে সংরক্ষিত হয়েছে এবং বিগত যুগের নিদর্শন হিসেবে টিকে আছে

অন্যদিকে চট্টগ্রামে একটি ফ্যাক্টরি প্রতিষ্ঠা করার জন্য আনুমানিক ১৭৫০ সালে চন্দননগর থেকে মসিঁয়ে আলবার্টকে পাঠানো হয় তিনি পর্তুগিজ সিমেট্রির কাছে একটি চ্যাপেল নির্মাণ করেন এর নাম উচ্চারণ অনেকের কাছে বেশ কঠিন মনে হতে পারে, যানটর ডেম ডি গুয়ার্দ ইয়ুপ কমকেমনামে পরিচিত অনেকের ধারণা, ১৮১২ সালে কর্ণফুলী নদীতে ভেঙে পড়ে চট্টগ্রামে ফরাসিদের নির্মিত এই চার্চ সম্পর্কে আর বেশি তথ্য পাওয়া যায় না তত্কালীন চট্টগ্রাম শহর থেকে চার মাইল উত্তরে একটি পাহাড়ি এলাকার উত্তর প্রান্তে ১৮৬০ সালে ক্যাপ্টেন পগসন আবিষ্কার করেন স্যার উইলিয়াম জোন্সের বাড়ির ধ্বংসাবশেষ বাড়ির কাঠামোটি গাছগাছড়ায় আচ্ছাদিত দেখতে পান তিনি স্যার জোন্স নিজেই সম্ভবত এসবের চারা লাগিয়েছিলেন বলে পগসন অনুমান করেন বাড়ির পূর্ব দিকের দৃশ্য ছিল অরণ্যময় এবং শিহরণমূলক, পশ্চিমে দৃশ্যমান বঙ্গোপসাগর ধ্বংসাবশেষ তার প্রতিবেশ সম্পর্কে পগসনের বর্ণনা নিম্নরূপ: ‘জায়গায় জায়গায় ছাদ ভেঙে খসে পড়েছে, আর এখানেই বেড়ে উঠেছে মোটা-তাজা অনেক পিপুল গাছ প্যানেল ঝোলানো মালার আদল সজ্জিত কার্নিশ এবং দেয়ালগুলো আচ্ছাদিত হয়ে গিয়েছে এসবের শেকড়বাকড়ে আর্দ্রতামুক্ত রাখার জন্য কক্ষের মেঝে এবং চত্বরের ভিত্তিতে দেয়া হয়েছিল চারকোল এটি আংশিক খোদাই করা হয়েছে, এতে ফাটা-ভাঙা পাকা গাঁথুনির স্তর এখন বিরান পড়ে আছে

বাংলাদেশে ঔপনিবেশিক স্থাপত্যের একটি অনুপম নিদর্শন চট্টগ্রামের কেন্দ্রীয় রেল ভবন চট্টগ্রামে রেলওয়ের কেন্দ্রীয় কার্যালয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সময়ে সময়ে গৃহীত কার্যাবলির নিরিখে চাহিদা মোতাবেক পর্যায়ক্রমে ভবনটি নির্মিত হয়েছিল অন্যদিকে এই ইমারতটি আসাম-বেঙ্গল রেলওয়ের প্রধান কার্যালয় হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিল একটা সময়ে তখনকার মূল দালানটি তৈরি হয় ১৮৭২ সালে এরপর ১৮৯৭ থেকে ১৯৬৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে তার পরিবর্ধন বিস্তৃতি চলতে থাকে এখানে মূল স্থাপত্য কাঠামোর বাইরে গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হচ্ছে লোড বিয়ারিং দেয়ালটি ছাদে আরএস জয়েস্ট, অ্যাঙ্গেলস, ফ্ল্যাট বার ইত্যাদি উপকরণ কড়ি-বর্গার ওপর বিন্যস্ত এবং চুন-সুরকি দিয়ে সাঁটা পোড়ামাটির স্ল্যাবগুলো ধারণ করছে দোতলার ছাদ শেল টাইপ নকশায় নির্মিত তবে ইমারতটির পূর্ব-উপদালানের মধ্যাংশ ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসে মুক্তিযুদ্ধের সময় বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় তবে পরে মধ্যম উপদালানের হুবহু প্রায় একই নকশায় পুনর্নির্মিত হয় সমতল করা পাহাড়ের ভিটিতে কিছু বিপরীত অভিক্ষেপসহ ইমারতটির ভূমি নকশা ইংরেজি ভাষারইউবর্ণের মতো ঔপনিবেশিক আমলে সংযোগস্থলটি পিকাডিলি সার্কাস নামেও পরিচিত ছিল

এভাবে খুঁজতে গেলে চট্টগ্রামের নানা স্থানে চোখে পড়বে অনেকগুলো ঔপনিবেশিক স্থাপত্য বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে অভিন্ন হলেও স্থাপত্যগুলো বাংলাদেশের ঐতিহ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দলিল এর মধ্যে পাহাড়তলীর সেগুনবাগানে ১৮৮৭ সালে নির্মিত দ্বিতল কাঠের বাংলোটি অন্যতম মূলত কাঠ দিয়ে তৈরি বাড়িটির হিফড ছাদ সিআই শিটের জালির কাজ করা কাঠের টুকরো দিয়ে অলংকরণ করা হয়েছে ছাদের প্রান্তদেশ হিফড ছাদের মটকার কেন্দ্রে বায়ুরন্ধ্র হিসেবে একটি উপরিকাঠামো যুক্ত আছে অনেক লুভরের সমাহার ফাসাদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য এর বাইরে বলা যেতে পারে চট্টগ্রামের পুরাতন সার্কিট হাউজ কিংবা কমলাকান্ত থিয়েটার হলের কথা শহরের চন্দনপুরা মৌজায় ঔপনিবেশিক আমলের পরিত্যক্ত ফ্যাক্টরি গুদামঘরে ১৮৩৬ সালে জেলা স্কুল হিসেবে স্থাপিত চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা

 

আরেফিন আবীর: গবেষক কথাসাহিত্যিক

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন