রবিবার | নভেম্বর ১৭, ২০১৯ | ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

টেরাকোটা-পর্ব ৩

বরিশালের জমিদারবাড়ি ও গির্জা

ড. ফাতেমা হেরেন

বাকলা-চন্দ্রদ্বীপ ১৭৫৭ সালে পলাশী যুদ্ধের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে ইংরেজ কোম্পানি শাসনের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। সময়ে নানাবিধ প্রশাসনিক পালাবদল, জমিদারির নতুন মালিকানা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিচারব্যবস্থা, ব্যবসা-বাণিজ্য ইত্যাদি সামাজিক পটপরিবর্তনের ধারায় অনেক নতুন ভবন নির্মিত হয়। পর্বে আমরা ১৭৫৭ সাল-পরবর্তী বিশ শতকের মাঝপর্ব পর্যন্ত যেসব প্রত্নসূত্রের পরিচয় পেয়েছি, সেসব স্থাপনার বিবরণ তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। মোগল এবং নবাবি শাসন সমাপ্তির পর ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসের পটপরিবর্তন হয়। পরিবর্তনের ধারা প্রথম শুরু হয় বাংলা থেকে। যে শাসনামলের ঐতিহাসিক নাম ঔপনিবেশিক শাসনামল। ঔপনিবেশিক শাসনের ক্রমবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় আমাদের বাংলাদেশ অন্তর্ভুক্ত হয়ে পড়ে। স্বাভাবিকভাবে বরিশাল অঞ্চল ঔপনিবেশিকতার অধীনে চলে আসে। বিদেশী শাসনের প্রভাবে বরিশাল অঞ্চলের রাজনীতি, প্রশাসন সামাজিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে নানান পরিবর্তন সাধিত হয়। এসব পরিবর্তনের ধারা স্থাপত্য শিল্পেও উল্লেখযোগ্যভাবে লক্ষ করা যায়। সময় তথা আঠারো থেকে বিশ শতক পর্যন্ত স্থাপিত স্থাপনাগুলোর মধ্যে সাধারণত জমিদারবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রশাসন ভবনসহ পাশ্চাত্য ধর্ম প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। প্রথমেই জমিদারবাড়িগুলো উল্লেখ করা হলো।

কলসকাঠি জমিদারবাড়ি: বর্তমান বাকেরগঞ্জ থানার এই জমিদারবাড়িটি জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। অঞ্চলের জমিদার জানকী বল্লভ মোগল সুবাদার শায়েস্তা খানের সহযোগিতায় সম্রাট আওরঙ্গজেবের পাঞ্জাযুক্ত সনদপ্রাপ্ত হয়ে পিতার জমিদারিতে নিজ অধিকার প্রতিষ্ঠা করে আওরঙ্গপুর পরগনার মধ্যস্থিত কলসকাঠি গ্রামে নিজ বাসস্থান স্থানান্তর করেন। কলসকাঠি আগমন করে তিনি বিশাল বাসভবন নির্মাণ করেন, যা কলসকাঠি জমিদারবাড়ি নামে পরিচিত। বসতবাড়িসহ তিনি এখানে কয়েকটি মন্দির নির্মাণ করেন এবং মন্দিরে বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করেন।

এখানে প্রতিষ্ঠিত বিগ্রহের মধ্যে নীলমাধব বিগ্রহ অন্যতম। এই বিগ্রহটি জানকী বল্লভের পরিবারের কুলদেবতা হিসেবে পূজিত হয়। জানকী বল্লভের পরিবারের অন্যতম সদস্য বরদাকান্ত কলসকাঠিতে গনেশ পূজার সঙ্গে পূজা উপলক্ষে মেলার আয়োজন করেছিলেন বলে কথিত আছে। বর্তমানে জমিদারি সম্পত্তিতে কলসকাঠি ডিগ্রি কলেজ প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে। তবে জমিদারবাড়ির অভ্যন্তরে সম্রাট আওরঙ্গজেব মুর্শিদকুলি খানের আমলের কয়েকটি দালান আছে। তাছাড়া তত্কালীন জমিদারদের প্রতিষ্ঠিত নীলমাধব, গণেশ, কালী ভগবান শিবের মন্দির রয়েছে ওই বাড়ির অভ্যন্তরে। স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায় এসব মন্দিরে নিয়মিত পূজা-অর্চনা করে থাকে।

মাধবপাশা জমিদারবাড়ি: ১৫ একর ভূমির ওপর জমিদার রামমানিক্য মুদির বাড়ি অবস্থিত। জমিদার রামমানিক্য মুদি চন্দ্রদ্বীপ রাজার খানা বাড়ির মুদি ছিলেন। চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফল হিসেবে চন্দ্রদ্বীপ পরগনা নিলাম হলে তিনি ১৭৯৯ খ্রিস্টাব্দে চন্দ্রদ্বীপ পরগনার ক্রান্তি অংশ ক্রয় করে জমিদার হন এবং চৌধুরী উপাধি প্রাপ্ত হন।এই জমিদার বাড়িটি মাধবপাশা রাজবাড়ি থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। উনিশ শতকের প্রথম ভাগে নির্মিত জমিদারবাড়িটি ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দের হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গার সাক্ষ্য বহন করছে।

১৯৫০ খ্রিস্টাব্দের ফেব্রুয়ারি মাসে জমিদারবাড়িতে কয়েকশ হিন্দু ধর্মাবলম্বীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। সেই নৃশংসতার পর পরই জমিদার পরিবারের আতঙ্কিত বেঁচে থাকা সদস্যরা দেশ ছেড়ে চিরতরে ভারতের পশ্চিম বাংলায় চলে যায়। বাড়ির অভ্যন্তরে দেবী কালী ভগবান শিবের মন্দির ছিল। ধর্মান্ধরা মন্দির দুটো চিরতরে ধ্বংস করে দেয়, যা আজও পুনর্নির্মাণ সম্ভব হয়নি। বাড়িটির দরজা, নহবতখানা চিলছত্র অক্ষত অবস্থায় আছে। বর্তমানে যা প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত। বাড়িতে কয়েকটি দোতলা দালান দেব মন্দির ছিল। বাড়ির সামনে সিংহদ্বার দীঘি ছিল। (বাস্তব পর্যবেক্ষণে উল্লেখিত স্থাপনাগুলোর কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি, শুধু চিত্রে প্রদর্শিত প্রবেশদ্বারটি ছাড়া) রামমানিক্যের ছোট ভাই শ্যাম রায়ের স্ত্রী পার্বতী চৌধুরাণী মাধবপাশা থেকে বরিশাল পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ করেছিলেন। পার্বতী চৌধুরাণীর নির্মিত রাস্তার ওপর দিয়ে বর্তমান বরিশালের বানারীপাড়া-বরিশাল সড়ক নির্মিত হয়েছে। এছাড়া, পার্বতী চৌধুরাণী বৃন্দাবন নামে মন্দির নির্মাণ করে কালাচাঁদ নামক বিগ্রহ স্থাপন করেন। জমিদার রামমানিক্য বরিশাল কোতোয়ালি থানার সাহেবের হাট থেকে নদী পর্যন্ত একটি খাল খনন করেন। যা বরিশালে মানিকের ভারাণী নামে পরিচিত।

কীর্তিপাশা জমিদারবাড়ি: বৃহত্তর বাকেরগঞ্জ জেলার ঝালকাঠি থানার (বর্তমান জেলা) কীর্তিপাশা গ্রামের প্রতিষ্ঠিত জমিদারবাড়ির পূর্বপুরুষ দুর্গাদাস সেন বিক্রমপুরের পোড়াগঙ্গা থেকে গ্রামে আসেন। দুর্গাদাস সেনের প্রপৌত্র কৃষ্ণরাম কীর্তিপাশায় জমিদারি প্রতিষ্ঠা করেন। কৃষ্ণরাম এবং তার অন্য দুই ভাই রায়েরকাঠির রাজা জয়নারায়ণের কর্মচারী ছিলেন। রায়েরকাঠির জমিদার জয়নারায়ণের জমিদারি বিপর্যয়ের সম্মুখীন হলে কৃষ্ণরাম জয়নারায়ণের জমিদারি রক্ষা করতে সক্ষম হন এবং মজুমদার উপাধিতে ভূষিত হন।

কৃষ্ণরামের পুত্র রাজারাম সেন পিতার মৃত্যুর পর রায়ের কাঠির দেওয়ান নিযুক্ত হন। চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের আগেই হাবেলি সেলিমাবাদ ছাড়া অন্যান্য পরগনা বিলুপ্ত হয়ে যায়। সময়ে সেলিমাবাদ পরগনা থেকে ১০টি ক্ষুদ্র পরগনা অনেকগুলো তালুক সৃষ্টি করা হয়। তালুকগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি তালুক কীর্তিপাশা, যা কৃষ্ণরাম সেন এবং তার বংশধরগণ লাভ করেন।

কীর্তিপাশার তালুক রাজারাম সেনের দুই পুত্রের মধ্যে বড় হিস্যা ছোট হিস্যা, এই দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। বড় হিস্যার সমগ্র তালুক দশ আনি নবকৃষ্ণ সেন এবং ছোট হিস্যার ছয় আনি লাভ করেন কালাচাঁদ সেন। দুই ভাগে বিভক্ত কীর্তিপাশার জমিদারবাড়িতে দুটি আলাদা দ্বিতলবিশিষ্ট ভবন রয়েছে। বন দুটি উনশ শতকে নির্মিত। বড় হিস্যার (দক্ষিণের) বাড়ির ভবনের অভ্যন্তরে একটি শিবমন্দির কালীমন্দির রয়েছে।বাস্তব পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, বাড়ির অভ্যন্তরে একটি দুর্গামন্দির ছিল, যা বর্তমানে প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত এবং বড় হিস্যার বাড়ির সামনে একটি শিবমন্দির সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির রয়েছে।

ছোট হিস্যার জমিদার শশীকুমার সেন ১৮৭১ খ্রিস্টাব্দে কীর্তিপাশায় নিজ বাড়িসংলগ্ন একটি দাতব্য চিকিৎসালয় প্রতিষ্ঠা করেন। পরিত্যক্ত অবস্থায় চিকিৎসা ভবনটি এখনো আছে। বড় হিস্যার জমিদারির মূল ভবনের (দক্ষিণের ভবন) সম্মুখভাগের অংশে বর্তমানে একটি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় পরিচালিত হচ্ছে। জানা যায়, কীর্তিপাশার উভয় জমিদারি ভবন নির্মাণের জন্যে প্রায় নয় প্রকার ইটের ব্যবহার করা হয়েছিল। অবশ্য ভবন দুটি এখন প্রায় ধ্বংসোন্মুখ। শুধু জমিদারির বড় হিস্যার যে অংশটুকু স্কুলের জন্য ব্যবহূত হয়, সে অংশটুকু সংস্কার করে ব্যবহার করা হচ্ছে।

লাকুটিয়া জমিদারবাড়ি: জমিদার রাজচন্দ্র রায় উনিশ শতকের মধ্যভাগে ভবনটি নির্মাণ করেন। মূল বাড়িটি দ্বিতল ভবনবিশিষ্ট। জরাজীর্ণ ভবনটি অব্যবহূত। ভবনের সামনে শিবমন্দিরসহ চারটি সমাধি মন্দির আছে। বর্তমানে এই জমিদারি সম্পত্তি বাংলাদেশ সরকার কৃষি বীজ বিপণন অফিস হিসেবে ব্যবহার করছে। দেশ ভাগের সময় লাকুটিয়ার জমিদাররা ভারতে চলে যায়। যদিও এদের বর্তমান উত্তরাধিকারীগণ অস্ট্রেলিয়ায় বসাবস করছে।

লালকুঠি: পর্তুগিজ জমিদার ডি-সিলভা ১৮০১ সালে জেলা সদর দপ্তর বরিশালে স্থানান্তরের সঙ্গে সঙ্গে পাদরি শিবপুর ছেড়ে শহর বরিশালে চলে আসেন এবং বরিশাল শহরের সাগরদী নামক স্থানে বসতি স্থাপন করেন। তার নির্মিত বাসভবনটি স্থানীয় জনসাধারণের কাছে লালকুঠিনামে পরিচিত। ইউরোপীয় আদলে নির্মিত ভবনটি দেখতে অনেকটা দুর্গের মতো। এটি এখনো অবিকৃত অবস্থায় আছে। ঔপনিবেশিক  আমলে বরিশাল শহরে নির্মিত স্থাপনাগুলোর মধ্যে লালকুঠি একটি দর্শনীয় স্থাপনা হিসেবে বিশেষভাবে খ্যাত।

শিবপুর গির্জা: ঔপনিবেশিক শাসন শুরু হওয়ার প্রায় এক শতাব্দী আগেই বরিশাল অঞ্চলে ইউরোপীয় জনসাধারণ ব্যবসা আধিপত্য বিস্তারের প্রচেষ্টায় বাকলা চন্দ্রদ্বীপে আগমন করে। এর মধ্যে পর্তুগিজ, ওলন্দাজরা অন্যতম। এদের মধ্যে অনেকে স্থায়ীভাবে বাকেরগঞ্জে থেকে যায়। তাছাড়া পলাশী যুদ্ধের অব্যবহিত পরে রাজবল্লভ বাকেরগঞ্জের জমিদারি লাভ করেন। রাজবল্লভ খাজনা প্রদানে অস্বীকৃতিকারী কৃষকদের দমন করতে এবং খাজনা আদায় করার দায়িত্ব দিয়ে ব্যান্ডেল থেকে পর্তুগিজদের এনে বাকেরগঞ্জে পুনর্বাসন করেন। এদের মধ্যে গঞ্জালভেস নামক একজন যাজক ছিলেন, যিনি পাদরি শিবপুরে এই গির্জা নির্মাণ করেন। গির্জাটিই বরিশাল শহরের প্রথম গির্জা। পর্তুগিজরা গির্জা নির্মাণ করে বাকেরগঞ্জের অঞ্চলে স্থায়ী বসতি স্থাপন করলে, ক্রমে এই অঞ্চল পাদরি শিবপুর নামে পরিচিত হয়ে ওঠে। আলোচ্য অঞ্চলে এই গির্জা খ্রিস্টধর্ম প্রচারে বিশেষ ভূমিকা রাখলেও বরিশাল অঞ্চলে খ্রিস্টধর্ম তেমন আলোড়ন তুলতে সক্ষম হয়নি। দুটো গির্জা আঠারো শতকে নির্মিত পর্তুগিজ স্থাপনার অপূর্ব নিদর্শন। গির্জা দুটিকে কেন্দ্র করে অত্র অঞ্চলে খ্রিস্টধর্মের ব্যাপক প্রসার ঘটে। পাশাপাশি গির্জা দুটোকে কেন্দ্র করে মিশনারিজ সেবার অন্যতম সেবা শিক্ষা চিকিৎসারও প্রসার ঘটে। গির্জা দুটি ছাড়াও বরিশাল শহরে পর্তুগিজদের প্রতিষ্ঠিত আরো একটি গির্জা আছে।

ব্যাপটিস্ট চার্চ: বৃহত্তর বরিশালে বাকেরগঞ্জের শিবপুরে খ্রিস্টধর্মীয় প্রতিষ্ঠান প্রথমে নির্মিত হলেও ঔপনিবেশিক শাসন আমলে বরিশালে আরো কয়েকটি গির্জা প্রতিষ্ঠিত হয়। নির্মাণশৈলীতে গির্জাগুলোর মধ্যে আলাদা বৈশিষ্ট্য বিরাজমান। সময়ে নির্মিত অন্যতম গির্জা হলো ব্যাপটিস্ট মিশন চার্চ। জানা যায়, বরিশাল অঞ্চলে খ্রিস্টধর্ম প্রচারের অন্যতম পুরোধা কেরি সাহেবের পালিত কন্যা জিন্নাত বিবি ওরফে জেনেট ইউরোপীয়দের ধর্ম পালনের সুবিধার্থে একটি কাঠের গির্জা তৈরি করেন। পরবর্তী সময়ে ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে কাঠের গির্জা সংস্করণ করে স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্যে গির্জাটি নির্মাণ করা হয়। চিত্রে প্রদর্শিত গির্জাটিই নব সংস্কৃত গির্জা, যা ব্যাপটিস্ট মিশন চার্চ নামে পরিচিত।

বরিশাল শহরের অভ্যন্তরে খ্রিস্টান ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের জন্য প্রতিষ্ঠিত দুটো গির্জা রয়েছে। অক্সফোর্ড মিশন চার্চ অক্সফোর্ড মিশন নামে একটি মাধ্যমিক স্কুল পরিচালনা করছে। ক্যাথলিক চার্চ উদয়ন স্কুল নামে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিচালনা করছে। প্রতিষ্ঠাকাল থেকে এই চার্চগুলো দরিদ্রদের মধ্যে সেবার পাশাপাশি খ্রিস্টধর্ম প্রচারে বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছে। আয়তাক্ষেত্রাকৃতির লাল রঙবিশিষ্ট চার্চ দুটো ব্রিটিশ স্থাপত্যকলার অপূর্ব নিদর্শন। সময়ে চার্চ নির্মাণ ছাড়াও বেশকিছু মসজিদ, মঠ মন্দির নির্মিত হয়। 

 

. ফাতেমা হেরেন: সহযোগী অধ্যাপক, বরিশাল সরকারি কলেজ, বরিশাল

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন