বৃহস্পতিবার | নভেম্বর ১৪, ২০১৯ | ৩০ কার্তিক ১৪২৬

টেরাকোটা-পর্ব ৩

ঔপনিবেশিক নওগাঁর প্রাসাদ ও রাজবাড়ি

ফারুক এহসানউল্লাহ

বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক যুগে অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ জমিদারি এস্টেটের নাম পাওয়া যায়। এই জমিদারি এস্টেটের জমিদারদের বাসভবন হিসেবে অনেকগুলো উল্লেখযোগ্য ইমরাত গড়ে উঠতে দেখা গেছে। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার মধ্যে নওগাঁ অঞ্চলে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইমারতের দেখা মেলে। এর মধ্যে রয়েছে দুবলাহাটি রাজপ্রাসাদ, মহাদেবপুর রাজপ্রাসাদ বলিহার রাজপ্রাসাদ। এর মধ্যে প্রথমেই উল্লেখ করতে হয় দুবলহাটি রাজপ্রাসাদের কথা। দুবলহাটি  এলাকাটি নওগাঁ শহর থেকে আনুমানিক সাত কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। দুবলহাটি রাজবংশ বৃহত্তর রাজশাহী জেলার জমিদার বংশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন। অনেক গবেষক মনে করেন পাল আমলের শেষাংশে (৭৫০-১১৫০) দুবলহাটি জমিদারি প্রতিষ্ঠিত হয়। জগত্রাম রায় নামক জনৈক লবণ ব্যবসায়ী ছিলেন এই জমিদারির পূর্ব প্রতিষ্ঠাতা।

সময়ের পরবর্তীকালে মোগল শাসনামলে বাদশাহি সনদমূলে এই জমিদারি স্বীকৃতি লাভ করে। দুবলহাটি জমিদারদের মধ্যে রাজা হরনাথ রায় চৌধুরী ১৮৭৪ সালের দুর্ভিক্ষে তার দানশীলতা জনকল্যাণের জন্য তদানীন্তন ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক ১৮৭৫ সালে রাজাএবং ১৮৭৭ সালে রাজা বাহাদুরউপাধি লাভ করেন। দুবলহাটির জমিদাররা স্বীয় আবাসিকতা জমিদারি কার্য পরিচালনার জন্য দুবলহাটিতে নির্মাণ করেন এক সুদৃশ্য সুবিশাল রাজপ্রাসাদ।

দুবলাহাটির দ্বিতল রাজপ্রাসাদ ভবন .৪৫ একর ভূমির ওপর নির্মিত। প্রাসাদের চারদিকে রয়েছে চারটি বৃহৎ পুষ্করিণী। সামগ্রিকভাবে প্রাসাদের ভূমি নকশা চারটি অঙ্গনে বিভক্ত যথা . রংমহল, . কাছারি, . অন্দরমহল . রন্ধনশালা। অঙ্গনগুলোকে কেন্দ্র করেই প্রাসাদের নিচতলা দ্বিতলে শতাধিক কক্ষ নির্মিত হয়েছে। উত্তরমুখী এই প্রাসাদ ভবনের সম্মুখাংশের মধ্যস্থলে অর্ধবৃত্তাকৃতির খিলানবিশিষ্ট একটি সুউচ্চ প্রবেশ তোরণ এবং পূর্ব পশ্চিম মাথায় অর্ধবৃত্তাকার খিলানসারি বেষ্টিত দুটি অভিক্ষিপ্ত বা বর্ধিত বারান্দা বিদ্যমান। এছাড়া প্রবেশ তোরণের পশ্চিমে এবং পূর্বে দুটি বারান্দা রয়েছে। বারান্দা দুটির সম্মুখে চারটি করে মোট আটটি সুউচ্চ করিন্থীয় স্তম্ভ ইমারতের দ্বিতল অংশ পর্যন্ত উঠে গেছে। এদের পূর্ব পশ্চিম প্রান্তের স্তম্ভ যুগলভবে নির্মিত। প্রবেশ তোরণ দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করলে প্রথমে নাটমহল অঙ্গন এর পূর্ব দিকে কাছারি অঙ্গন পরিলক্ষিত হয়। নাটমহল অঙ্গনের পশ্চিম দিকে রয়েছে সমতল ছাদবিশিষ্ট একটি অনন্য সুন্দর নাট্যমঞ্চ বা রঙ্গমঞ্চ। ইমারতটি মঞ্চসহ বিভিন্ন আকৃতির মোট পাঁচটি কক্ষে বিভক্ত। মূল মঞ্চের আয়তন .৩৮ মিটার গুণন .৬০ মিটার। অঙ্গনের উত্তর ব্লকের দ্বিতলে রয়েছে পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত একটি বিশাল দরবার হল।

স্থাপনাটির হলঘরের উত্তর দক্ষিণে রয়েছে দুটি ঝুলবারান্দা। নাটমহল অন্দর অঙ্গনের মধ্যবর্তী ব্লকে নিচতলা দ্বিতলে একই আয়তনবিশিষ্ট দুটি করে চারটি শয়নকক্ষ বিদ্যমান। অনুরূপভাবে অন্দরমহলের দক্ষিণ ব্লকে নিচতলা দ্বিতলে একই আয়তনবিশিষ্ট তিনটি করে ছয়টি শয়নকক্ষ রয়েছে। অঙ্গনের দ্বিতল অংশে চারদিকে স্থাপিত লোহার স্তম্ভের ওপর ঝুলবারান্দা নির্মিত হয়েছে। প্রাসাদের প্রতিটি কক্ষ লোহা কাঠের তীর-বর্গার সমন্বয়ে নির্মিত সমতল ছাদে আচ্ছাদিত এবং ছাদপ্রান্ত বেড়াবিশিষ্ট ছাদপাঁচিল দ্বারা পরিবেষ্টিত। তবে ছাদের উপরে নির্মিত একটি ক্ষুদ্র কক্ষ (সিঁড়িঘর) শিরাল গম্বুজে আচ্ছাদিত। ইমারতের কক্ষগুলোর প্রবেশপথগুলো আংশিক বৃত্তাকার খিলানে নির্মিত। প্রাসাদের প্রতিটি কক্ষের অভ্যন্তর বহির্ভাগের দেয়ালগাত্র পলেস্তারায় আচ্ছাদিত।

এখানকার দরবার হলের অভ্যন্তরভাগের দেয়ালগাত্রে রংতুলিতে চিত্রিত পেঁচানো লতাপাতা ফুলেল নকশাযুক্ত একটি পাড় নকশা ব্যতীত অন্য কক্ষগুলোতে কোনো অলংকরণ পরিলক্ষিত হয় না। তবে রাজপ্রাসাদের অত্যন্ত আকর্ষণীয় অলংকরণ রয়েছে রঙ্গমঞ্চ ইমারতের সম্মুখ গৃহমুখের (উত্তর গৃহমুখ) ছাদপাঁচিলে। রঙ্গমঞ্চের ছাদপাঁচিলে চুন-বালির সংমিশ্রণে নির্মিত পেঁচানো লতাপাতা বেষ্টিত মেডেল নকশা প্রাচীন গ্রিক স্থাপত্যে ব্যবহূত মানবমূর্তি সংবলিত অলংকরণ ভাস্কর্য বিদ্যমান। ছাদপাঁচিলে উপবিষ্ট চারটি নারী মূর্তির ভগ্নাংশ এখনো বর্তমান রয়েছে। ঠিক একইভাবে প্রাসাদের উত্তর গৃহমুখের ছাদপাঁচিলও মানবমূর্তি সংবলিত অত্যন্ত আকর্ষণীয় অলংকরণ ভাস্কর্যে সজ্জিত। পেঁচানো লতাপাতা সজ্জিত ছাদপাঁচিলের মধ্যস্থলে একটি মেডেলাকৃতির রাজকীয় পদমর্যাদা পরিচায়ক প্রতীক নকশা বিদ্যমান।

নকশার ঠিক মধ্যভাগে উত্কীর্ণ ইংরেজি বর্ণের একটি সিলমোহর এখনো পরিদৃষ্ট হয়। এছাড়া এই গৃহমুখের দ্বিতলে কার্নিশের নিচে পূর্ব-পশ্চিমে লম্বা পলেস্তারায় কর্তিত লতাপাতা ফুল নকশা সজ্জিত একটি টানা পাড় নকশা বিদ্যমান। অনুরূপ পাড় নকশা নিচতলার দুই প্রান্তের অভিক্ষিপ্ত বারান্দার উপরের কার্নিশের নিচেও পরিলক্ষিত হয়। তবে এই পাড় নকশাটি পেঁচানো আঙুরলতা আঙুর ফল নকশায় শোভিত। প্রাসাদের ব্যবহূত লোহার স্তম্ভসমূহ করিন্থীয় নকশাসংবলিত। এই প্রাসাদটি ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে নির্মিত বলে নির্মাণশৈলী দৃষ্টে অনুমিত হয়।

নওগাঁর অন্যতম বিখ্যাত ঔপনিবেশিক স্থাপনা মহাদেবপুর রাজপ্রাসাদ, নওগাঁ জেলার অধীন মহাদেবপুর উপজেলায় মহাদেবপুর জমিদারদের নির্মিত একটি রাজবাড়ি বিদ্যমান। মোগল আমলে সম্রাট জাহাঙ্গীরের রাজত্বকালে (১৬০৫-১৬২৭) এখানকার জমিদারির উদ্ভব হয়। এই জমিদারির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন নয়নচন্দ্র রায় চৌধুরী এবং সর্বশেষ জমিদার ছিলেন রায় বাহাদুর নারায়ণচন্দ্র রায় চৌধুরী। মহাদেবপুরের জমিদাররা স্বীয় জমিদারি পরিচালনা জন্য .৭৪ একর ভূমির ওপর দ্বিতলবিশিষ্ট একটি প্রাসাদ নির্মাণ করেন। ইমারতটির নির্মাণ উপকরণ হিসেবে ইট, চুন-সুরকি, কাঠ লোহা ব্যবহূত হয়েছে। পূর্বমুখী ইমারত মূলত দুটি অংশে বিভক্ত যথা অন্দরাঙ্গন বহিরাঙ্গন। ভবনের সম্মুখস্থ বিশাল উন্মুক্ত অঙ্গনের পূর্ব প্রান্তে রয়েছে প্রাসাদের প্রধান প্রবেশ তোরণ।

এখানে মূল প্রবেশ তোরণের দুই পাশে উন্মুক্ত অঙ্গনমুখী দুটি আয়তাকার কক্ষ বিদ্যমান। প্রাসাদটির মূল ভবনের মধ্যস্থলে অন্দর অঙ্গনে যাওয়ার জন্য রয়েছে একটি সুউচ্চ তোরণপথ (.৩৯ মিটার গুণন .৬৬ মিটার) ভবনটির নিচতলা আটটি কক্ষ এবং দ্বিতল অংশ তিনটি হলঘরে বিভক্ত। দ্বিতলের উত্তর-পূর্ব কোণার হলঘরটি (.৩৭ মিটার গুণন .৬৬ মিটার) সংগীত কক্ষ হিসেবে ব্যবহূত হতো বলে জানা যায়। ইমারতের কক্ষগুলো অন্দর অঙ্গনের পূর্ব উত্তর দিকে বিন্যস্ত। অঙ্গনের দক্ষিণেও কিছু কক্ষ ছিল, যার সবই বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত। ইমারতের দ্বিতলে ওঠার জন্য দক্ষিণ পশ্চিম প্রান্তে দুটি সিঁড়ি বিদ্যমান।

মহাদেবপুর রাজপ্রাসাদের সমগ্র ভবনটি কাঠের তীর-বর্গার সমন্বয়ে নির্মিত সমতল ছাদে আচ্ছাদিত। প্রাসাদের কক্ষগুলোর অভ্যন্তর বহির্দেয়াল গাত্র পলেস্তারার আস্তরণে আচ্ছাদিত। দ্বিতল অংশের সংগীত কক্ষের অভ্যন্তরভাগের দেয়ালগাত্র রংতুলির সাহায্যে চিত্রিত পেঁচানো লতাপাতা, ফুল, প্রজাপতি, কোকিল, টিয়া প্রভৃতি বিভিন্ন জাতের পাখিসংবলিত একটি টানা পাড় নকশায় সজ্জিত। ভবনটির সম্মুখাংশের বহির্দেয়াল গাত্রে কার্নিশের নিচে একটি টানা পাড় নকশা বিদ্যমান। নকশাটির মধ্যভাগ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নয়টি আয়তাকার প্যানেলে বিভক্ত। প্রতিটি প্যানেল এবং টানা পাড়ের অভ্যন্তরভাগ ফুলের টব থেকে উত্থিত লতাপাতা সংবলিত কর্তিত ফুলেল নকশায় শোভিত। তাছাড়া গ্রিক স্থাপত্যের ইমারতগুলোর অনুকরণে ভবনটির ছাদের উপরে কারুকার্যখচিত একটি পেডিমেন্ট নির্মিত রয়েছে। পেডিমেন্টের শীর্ষদেশে একটি শরছিদ্র এবং ছিদ্রের দুই পাশে পরস্পরমুখী দুটি লম্ফমান সিংহের প্রতিকৃতি তাদের মধ্যস্থলে স্থাপিত ফুলের নকশা বিদ্যমান। মহাদেবপুর প্রাসাদটি ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে নির্মিত বলে প্রতীয়মান হয়।

বলিহার রাজপ্রাসাদ নওগাঁ জেলার আরেকটি জমিদারি প্রাসাদ। এই জমিদারির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন নৃসিংহ চক্রবর্তী নামক জনৈক ব্রাহ্মণ। তার আদি নিবাস ছিল ঢাকা জেলার বিক্রমপুরে। কথিত আছে যে তিনি বলিহার গ্রামে বৈবাহিক সূত্রে শ্বশুর প্রদত্ত এক তালুক লাভ করেন এবং পরবর্তীকালে এই তালুক বিস্তৃত হয়ে জমিদারিতে রূপান্তরিত হয়। সম্ভবত সপ্তদশ শতাব্দীকালে মোগল আমলে এই জমিদারির উদ্ভব ঘটে। রাজা কৃষ্ণেন্দ্র রায় ছিলেন এই জমিদার বংশের একজন অত্যন্ত খ্যাতিমান জমিদার। বলিহারের জমিদাররা .৫০ একর জমির ওপর নির্মাণ করেছেন এক বিশাল রাজবাড়ি। প্রাসাদ চত্বরে পরিলক্ষিত হয় তিনটি ইমারত দুটি মন্দির। ইমারতগুলো নির্মাণে ইট, চুন-সুরকি, লোহা কাঠ ব্যবহূত হয়েছে। পূর্ব দিক থেকে প্রথমে রয়েছে দ্বিতলবিশিষ্ট প্রধান প্রবেশ তোরণ। তোরণটি .৮১ মিটার গুণন .৪৫ মিটার আয়তনের প্রবেশপথের সম্মুখে দুই পাশে দুটি অভিক্ষিপ্ত বা বহির্গত বারান্দা দুই ধারে (উত্তর দক্ষিণে) কতকগুলো কক্ষের সমন্বয়ে নির্মিত। বারান্দা দুটির সম্মুখ প্রান্তে স্থাপিত তুশকান স্তম্ভের ওপর নির্মিত হয়েছে দ্বিতল অংশের দুটি ঝুলবারান্দা।

বলিহার রাজপ্রাসাদে প্রবেশ তোরণের দ্বিতল অংশের কক্ষগুলো অতিথিশালা হিসেবে ব্যবহূত হতো বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। তোরণ পেরিয়ে রয়েছে একটি উন্মুক্ত অঙ্গন। অঙ্গনের দক্ষিণাংশে রয়েছে অপেক্ষাকৃত পুরনো প্রাসাদের ধ্বংসাবশেষ। উত্তরমুখী দ্বিতলবিশিষ্ট এই ভবনটি কেন্দ্রীয় ১৮.২৯ মিটার গুণন ১২.২০ মিটার আয়তনবিশিষ্ট উন্মুক্ত অঙ্গনকে কেন্দ্র করে যে কক্ষগুলো নির্মিত ছিল তা সবই ধ্বংসপ্রাপ্ত। কেবল কয়েকটি ভগ্নদেয়ালের অস্তিত্ব ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। ভবনের সম্মুখে উন্মুক্ত অঙ্গনের উত্তরাংশে রয়েছে কালীমন্দির এবং উত্তর-পশ্চিমাংশে রয়েছে রাজরাজেশ্বরী মন্দির চত্বর। এই মন্দির চত্বর শেষে অঙ্গনের সর্বপশ্চিম প্রান্তে রয়েছে অপেক্ষাকৃত পরে নির্মিত এখনো অক্ষতাবস্থায় বিদ্যমান দ্বিতলবিশিষ্ট মূল প্রাসাদ ভবন।

বলিহারের প্রাসাদ বলতে বর্তমানে সুউচ্চ সীমানাপ্রাচীর দ্বারা পরিবেষ্টিত ভবনকে বোঝায়।

এখানে বারান্দা সংযোগপথ পেরিয়ে রয়েছে ইমারতের কেন্দ্রীয় উন্মুক্ত অঙ্গন। নিচতলার কক্ষ বিন্যাসের মতো ঠিক একই পরিকল্পনায় একই পরিমাপে ভবনটির দ্বিতল অংশের কক্ষগুলোও বিন্যস্ত। তবে দ্বিতলের হলঘরের প্রবেশপথগুলো ফ্যান-লাইটবিশিষ্ট। বলিহার রাজপ্রাসাদ ঠিক কখন নির্মিত হয়েছিল লিখিত কোনো তথ্যের অভাবে তা সুনির্দিষ্ট করে বলা দুষ্কর। তবে নির্মাণশৈলী দৃষ্টে প্রতীয়মান হয়, অপেক্ষাকৃত পুরনো ধ্বংসপ্রাপ্ত রাজপ্রাসাদটি সম্ভবত ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রধমার্ধে এবং বর্তমান প্রাসাদটি ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে নির্মিত। এর বাইরেও নওগাঁ জেলায় বেশকিছু জমিদারবাড়ি রয়েছে। তার মধ্যে শৈলগাছী রাজবাড়ি, রানীনগর উপজেলায় অবস্থিত কাশিমপুর রাজবাড়ি এবং আত্রাই উপজেলার পতিসরে অবস্থিত কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের কাছারিবাড়ির কথা উল্লেখযোগ্য।

 

ফারুক এহসানউল্লাহ: গবেষক

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন