শনিবার | নভেম্বর ২৩, ২০১৯ | ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

প্রথম পাতা

আউটবাউন্ড-২

অধিকাংশ বিত্তশালীই দ্বিতীয় দেশে ঠিকানা গড়ছেন

মনজুরুল ইসলাম ও তাসনিম মহসিন

নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করলেই বিদেশীদের স্থায়ী বসবাসের সুযোগ দিচ্ছে বিভিন্ন দেশ। সুযোগ নিচ্ছেন বাংলাদেশের অধিকাংশ বিত্তশালী। বিনিয়োগকারী হিসেবে স্থায়ীভাবে বসবাসের লক্ষ্যে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, হংকং, থাইল্যান্ড, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশে ঠিকানা গড়ছেন তারা। পরিসংখ্যান বলছে, প্রতি বছরই বাড়ছে সংখ্যা। এর মধ্যে বৈধ উপার্জনকারীরা যেমন আছেন, একইভাবে আছেন অবৈধ পন্থায় অর্থ উপার্জনকারীরাও।

পর্যবেক্ষকদের মতে, ব্যবসায়ীরাই মূলত বিনিয়োগ কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন দেশে স্থায়ী বসবাসের সুযোগ নিয়ে থাকেন। এর বাইরেও অনেকে আছেন অবৈধ উপায়ে যারা বিপুল অর্থ উপার্জন করেছেন, যা অপ্রদর্শিত। তারাও বিনিয়োগ কর্মসূচির আওতায় দ্বিতীয় কোনো দেশে আবাস গড়ছেন।

অর্থনীতিবিদ . আহসান এইচ মনসুর প্রসঙ্গে বণিক বার্তাকে বলেন, উন্নত দেশগুলোয় অভিবাসনটি স্থায়ীভাবে হয়ে থাকে। ফলে যারা সেকেন্ড হোম বা অভিবাসন করেছেন, এক সময় তারা বাংলাদেশের সব সম্পত্তি বিক্রি করে চলে যাবেন। একে দেশের ওপর, সুশাসনের ওপর, ব্যবস্থাপনার ওপর আস্থাহীনতাকেই বোঝায়। এটি আমাদের জন্য উদ্বেগের বিষয়।

কানাডা: দেশে শিপ ব্রেকিং ব্যবসা করে সম্পদশালী হন চট্টগ্রামের জয়নাল আবেদিন। বছর সাতেক আগে ব্যবসা বন্ধ করে কানাডায় পাড়ি জমান ব্যবসায়ী। দ্বিতীয় ঠিকানা হিসেবে সেখানেই স্থায়ীভাবে সপরিবারে বসবাস করছেন ব্যবসায়ী। যদিও অনাদায়ী রেখে গেছেন বড় অংকের ব্যাংকঋণ। অনেকদিন ধরে কানাডায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন চট্টগ্রামের আরেক ব্যবসায়ী ইফফাত ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী দিদারুল আলমও।

কানাডার ইমিগ্রেশন অ্যান্ড রিফিউজি বোর্ডের তথ্য বলছে, ২০০৭ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ১০ বছরে কানাডায় নাগরিকত্ব পেয়েছেন মোট ৩০ হাজার ৫৪৪ জন বাংলাদেশী। তাদের বড় অংশই নাগরিকত্ব পেয়েছেন বিজনেস বা বিনিয়োগ ক্যাটাগরিতে। তবে কানাডায় নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য কেবল বিনিয়োগ করলেই চলে না, আরো কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়। নির্দিষ্ট কিছু খাতে বিনিয়োগের মেয়াদ হতে হয় কমপক্ষে পাঁচ বছর। বিনিয়োগের আগে ওই ব্যক্তি আদৌ বিনিয়োগের ব্যাপারে যোগ্য কিনা, সেটা যাচাইয়ের জন্য পূর্ব অভিজ্ঞতা দেখাতে হয়। মনোনীত কানাডিয়ান ভেঞ্চার ক্যাপিটাল থেকে বিনিয়োগ হলে সেটার ন্যূনতম পরিমাণ লাখ ডলার। কানাডার মনোনীত বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান থেকে বিনিয়োগ এলে সেটার ন্যূনতম পরিমাণ ৭৫ হাজার ডলার।

কানাডার ইমিগ্রেশন অ্যান্ড রিফিউজি বোর্ডের তথ্যমতে, বিনিয়োগসহ অন্যান্য ক্যাটাগরিতে কানাডায় সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশী নাগরিকত্ব পেয়েছেন ২০১০ সালে, হাজার ৭২১ জন। এছাড়া ২০১৩ সালে হাজার ৭৯২, ২০১৪ সালে হাজার ২৩৩, ২০১৫ সালে হাজার ৩০৪ ২০১৬ সালে হাজার ২৩০ জন বাংলাদেশী কানাডার নাগরিকত্ব নিয়েছেন। তাদের অধিকাংশই বিনিয়োগ এবং স্কিলড ক্যাটাগরিতে নাগরিকত্ব পেয়েছেন। এছাড়া ২০১৫ সাল থেকে চালু হওয়া এক্সপ্রেস এন্ট্রি ভিসায়ও কানাডাতে প্রতি বছর গড়ে ৫০০ জন করে বাংলাদেশী পাড়ি দিচ্ছেন।

যুক্তরাজ্য: কানাডার মতো যুক্তরাজ্যেও দ্বিতীয় ঠিকানা খুঁজে নিচ্ছেন অনেক বাংলাদেশী। ছাত্রলীগের এক নেতারই কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে। বিনিয়াগকারী ভিসায় বর্তমানে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন ছাত্র নেতা। ভিসা পেতে বিনিয়োগ প্রয়োজন ন্যূনতম লাখ পাউন্ড।

জানা গেছে, টিয়ার-ওয়ান ইনভেস্টর শ্রেণীর ভিসার জন্য যুক্তরাজ্যে ২০ লাখ পাউন্ড (প্রায় ২২ কোটি টাকা) বিনিয়োগের শর্ত পূরণ করতে হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বহির্ভূত দেশ থেকে মোটা অংকের বিনিয়োগ আকর্ষণে স্থায়ী বসবাস সুবিধার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০০৮ সালে বিনিয়োগ ভিসা চালু করে যুক্তরাজ্য। টিয়ার-ওয়ান ইনভেস্টর ভিসা নামে এটি পরিচিত। নিয়ম অনুযায়ী ২০ লাখ পাউন্ড বিনিয়োগের জন্য ২০ লাখ পাউন্ড প্রস্তুত রয়েছে এমনটি দেখাতে পারলে প্রাথমিক অবস্থায় পাঁচ বছরের ভিসা দেয়া হয়। পাঁচ বছর পর স্থায়ী বসবাসের আবেদন করতে পারেন ওইসব বিদেশী। অন্যদিকে দুই বছরের মধ্যে স্থায়ী ভিসার আবেদন করতে হলে বিনিয়োগ করতে হবে কোটি পাউন্ড। আর তিন বছরের মধ্যে স্থায়ী ভিসার আবেদন করতে হলে বিনিয়োগ করতে হবে ৫০ লাখ পাউন্ড।

যুক্তরাজ্যের অভিবাসন বিভাগের সর্বশেষ পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ২৫৫ জন গোল্ডেন ভিসা নামে পরিচিত বিনিয়োগ ভিসায় যুক্তরাজ্যে বসতি গড়েছেন। গত পাঁচ বছরের মধ্যে যেকোনো ছয় মাসে এটাই সর্বোচ্চ বিনিয়োগ ভিসা প্রদানের রেকর্ড।

মালয়েশিয়া: মালয়েশিয়ায় দ্বিতীয় নিবাস গড়ার কর্মসূচি মালয়েশিয়া মাই সেকেন্ড হোম (এমএম২এইচ) প্রকল্পে অংশ নেয়া সব দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়। গত বছর পর্যন্ত এমএম২এইচ প্রকল্পে অংশ নিয়েছেন মোট হাজার ১৩৫ জন বাংলাদেশী। এরই মধ্যে মালয়েশিয়ায় বাড়ি কিনেছেন ২৫০ জন বাংলাদেশী। মালয়েশিয়ায় বাড়ি কেনার ক্ষেত্রে চীন যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের পরই আছেন বাংলাদেশীরা।

মালয়েশিয়ার পর্যটন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, যেকোনো দেশের নাগরিক মালয়েশিয়ার মাই সেকেন্ড হোম প্রোগ্রামের জন্য আবেদন করতে পারেন। এজেন্সি মারফত বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সরাসরি প্রোগ্রামের সুবিধার জন্য আবেদন করা যাবে। এছাড়া এজেন্টের মাধ্যমেও সেকেন্ড হোমের জন্য আবেদন করা যাবে। এমএম২এইচ প্রোগ্রামে ১০ বছরের নন-মালয়েশিয়ান ভিসার জন্য আবেদন করতে বাংলাদেশী ৫০ বছরের অনূর্ধ্বদের অ্যাকাউন্টে জমা থাকতে হয় লাখ রিঙ্গিত বা কোটি লাখ টাকা এবং মালয়েশিয়ার ব্যাংকে ফিক্সড ডিপোজিট করতে হয় ৬৫ লাখ টাকা। ৫০-ঊর্ধ্বদের জন্য অ্যাকাউন্টে থাকতে হবে সাড়ে লাখ রিঙ্গিত বা ৭৫ লাখ টাকা। মালয়েশিয়ায় ফিক্সড ডিপোজিট করতে হবে ৩২ লাখ টাকা। তবে উভয় ক্ষেত্রে মাসিক আয় হতে হবে কমপক্ষে লাখ ১২ হাজার টাকা।

জানা গেছে, মালয়েশিয়া সরকার ২০০২ সালে দ্বিতীয় নিবাস কর্মসূচি চালু করে। এর আওতায় মালয়েশিয়ার ব্যাংকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ জমা রেখে অন্য দেশের একজন নাগরিক দেশটিতে দীর্ঘমেয়াদি বসবাস অন্যান্য সুবিধা পান। তারা সেখানে বাড়িও কিনতে পারেন। দ্বিতীয় নিবাস কর্মসূচিতে বাংলাদেশীরা অংশ নেয়া শুরু করেন ২০০৩ সাল থেকে।

মালয়েশীয় সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ওই বছর ৩২ জন বাংলাদেশী কর্মসূচিতে অংশ নেন। পরবর্তী সময়ে ২০০৪ সালে ২০৪ জন, ২০০৫ সালে ৮৫২ জন, ২০০৬ সালে ৩৪১ জন, ২০০৭ সালে ১৪৯, ২০০৮ সালে ৬৮ জন, ২০০৯ সালে ৮৬ জন, ২০১০ সালে ৭৪ জন, ২০১১ সালে ২৭৬ জন। ২০০৫ সালের পর সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশী মালয়েশিয়ার দ্বিতীয় নিবাসে অংশ নিয়েছিলেন ২০১২ সালে ৩৮৮ জন। এরপর ২০১৩ সালে ২৮৫, ২০১৪ সালে ২৫০, ২০১৫ সালে ২০৫ ২০১৬ সালে ২৮৩ জন কর্মসূচিতে অংশ নেন। ২০১৭ সালে সংখ্যা আবারো বেড়ে দাঁড়ায় ৪৫১ জনে। আর গত বছর অংশ নেন ১৯১ জন বাংলাদেশী।

জানা গেছে, যারা মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম গড়েছেন বাংলাদেশী টাকায় তাদের জনপ্রতি খরচ হয়েছে কমপক্ষে ১২ কোটি টাকা। টাকার নিচে কেউই মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম করতে পারেননি। আর বাংলাদেশ থেকে যেহেতু বৈধভাবে অর্থ নিয়ে মালয়েশিয়ায় বাড়ি কেনার সুযোগ নেই, সে হিসাবে কর্মসূচির আওতায় যারা বাড়ি কিনেছেন, তারা মূলত টাকা পাচার করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্র: যুক্তরাষ্ট্রে কয়েকটি ক্যাটাগরিতে ভিসা দেয়া হয়। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ইবি সিরিজ (এমপ্লয়মেন্ট বেজড) ইবি সিরিজের থেকে পর্যন্ত ক্যাটাগরি চাকরির ভিসা পেতে আগ্রহীদের জন্য। তবে বিনিয়োগের মাধ্যমে ভিসা পেতে হলে আবেদন করতে হয় ইবি- ক্যাটাগরিতে। ইবি- কর্মসূচির আওতায় কেউ যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে উদ্যোক্তা হতে চাইলে তিনি ভিসা পেতে পারেন। তবে ক্যাটাগরিতে ভিসা পেতে হলে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ব্যবসা শুরু করতে হবে এবং কমপক্ষে ১০ জন আমেরিকান নাগরিকের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হবে। এই ক্যাটাগরিতে ভিসা পেতে কমপক্ষে কোটি টাকার বেশি বা লাখ ডলার বিনিয়োগ করতে হবে।

ইউএস সিটিজেন অ্যান্ড ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সাল থেকে গত বছর (২০১৮) পর্যন্ত ইবি- ক্যাটাগরিতে বিনিয়োগ করে ৪৬ জন বাংলাদেশী আমেরিকার নাগরিকত্ব নিয়েছেন। এর মধ্যে ২০১৫ সালে ১১ জন, ২০১৬ সালে ১৪ জন, ২০১৭ সালে জন এবং ২০১৮ সালে জন বাংলাদেশী বিনিয়োগের ক্যাটাগরিতে যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিকত্ব নিয়েছেন।

থাইল্যান্ড: বিদেশীদের জন্য থাইল্যান্ডের রয়েছে এলিট রেসিডেন্সি অফার। অফার অনুযায়ী ওই দেশে বসবাস করতে প্রতি বছর কমপক্ষে হাজার ডলার খরচ করতে হবে। সেখানে বসবাসের জন্য সাতটি প্যাকেজ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় প্যাকেজটি হলো ২০ বছরের জন্য বসবাসের অনুমতি। এক্ষেত্রে ৬০ হাজার ডলার খরচ করতে হবে। পাঁচ বছর বসবাসের অনুমতির জন্য এলিট ইজি অ্যাকসেস প্যাকেজ অনুযায়ী প্রতি বছর খরচ করতে হবে ১৫ হাজার ২৫৩ ডলার বা ১২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। স্ত্রী কিংবা স্বামীকে নিয়ে থাকতে চাইলে পাঁচ বছরের জন্য এককালীন ২৪ হাজার ৪০৫ ডলার ছাড়াও প্রতিজনে আরো হাজার ১৫২ ডলার করে পরবর্তী সময়ে পরিশোধ করতে হয়। কর্মসূচির আওতায়ও বিত্তশালী অনেক বাংলাদেশী থাইল্যান্ডে বসবাসের সুযোগ নিচ্ছেন।

পর্তুগাল: সম্প্রতি বিদেশীদের বসবাস করার অনুমতিসংক্রান্ত গোল্ডেন ভিসা চালু করেছে পর্তুগাল। সুযোগ নিতে হলে ব্যবসায়িক উদ্যোগের জন্য দেশটির কোনো ব্যাংকে মিলিয়ন ইউরো স্থানান্তর করতে হবে। কিংবা দেশটির বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি সেক্টরের অংশ হিসেবে কোনো গবেষণাকর্মে সাড়ে লাখ ইউরো বিনিয়োগ করতে হবে। কিংবা দেশটির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কোনো পণ্য উৎপাদনে আপনাকে সাড়ে লাখ ইউরো বিনিয়োগ করতে হবে। এছাড়া ওই দেশটিতে লাখ ডলারের সম্পদ কেনা বা দেশটির ৩০ বছরের বেশি বয়স হওয়া কোনো কোম্পানির সংস্কারে সাড়ে লাখ ডলার বিনিয়োগ করতে হবে। সুযোগও টানছে বাংলাদেশীদের।

স্পেন: ইউরোপের দেশ স্পেনেও বিদেশীদের জন্য গোল্ডেন ভিসা নীতিমালা আছে। ভিসার নাগাল পেতে দেশটির আবাসন প্রকল্পে অন্তত লাখ ইউরো বিনিয়োগ করতে হবে। কিংবা স্প্যানিশ কোম্পানিগুলোর অন্তত ১০ লাখ ইউরোর শেয়ার কিনতে হবে। কিংবা পরিমাণ অর্থ কোনো স্প্যানিশ ব্যাংকে ডিপোজিট করতে হবে। পাঁচ বছর বসবাসের পর দেশটিতে স্থায়ীভাবে বসবাসের আবেদন করা যায়। বাংলাদেশী বিত্তবানদের অনেকে গোল্ডেন ভিসার আওতায় আবেদন করছেন বলে জানা গেছে।

বিনিয়োগের স্থবিরতা ব্যাংকের ঋণ ফেরত না দেয়া, মানি লন্ডািরিং হুন্ডি ব্যবস্থার সঙ্গে বিদেশে দ্বিতীয় ঠিকানা খুঁজে নেয়ার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদ . মইনুল ইসলাম। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, অর্থ পাচার মারাত্মক পর্যায়ে চলে গেছে বহু আগেই। বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ জিডিপির অনুপাতে ২৩ শতাংশেই আটকে রয়েছে। এটা আর বাড়ছে না। এর প্রধান কারণই হলো পুঁজি পাচার; ব্যাংকের ঋণ বাইরে পাচার হয়ে যাওয়া।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন