সোমবার | জুলাই ১৩, ২০২০ | ২৮ আষাঢ় ১৪২৭

শেষ পাতা

রেলের জমিতে সিএনজি স্টেশন

১৬ বছরেও বাড়েনি জমির ইজারামূল্য

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজস্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০০২ সালের দিকে সিএনজি স্টেশন বা রূপান্তর কারখানা স্থাপনের জন্য জমি ইজারা দেয়া শুরু করে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ওই সময় প্রতি বিঘা জমির মাসিক ইজারামূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ঢাকা মহানগর এলাকায় ১৫ হাজার টাকা, চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় ১০ হাজার অন্যান্য এলাকায় হাজার টাকা। এরপর ১৬ বছর পেরিয়ে গেলেও বাড়ানো হয়নি তা। এছাড়া ইজারা শেষে জমি উদ্ধারেও নানা জটিলতায় পড়তে হচ্ছে রেলওয়েকে। অবস্থায় সিএনজি স্টেশনের জন্য নতুন করে জমি ইজারা না দেয়ার পক্ষে রেলওয়ে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের জমিতে স্থাপিত সিএনজি ফিলিং স্টেশন বা রূপান্তর কারখানার লাইসেন্সের মেয়াদোত্তীর্ণের পর করণীয় নিয়ে গঠিত এক কমিটির প্রতিবেদনে তথ্য উঠে এসেছে। সম্প্রতি রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়।

রেলের জমি ইজারা নিয়ে গড়ে ওঠা সিএনজি স্টেশনগুলোর ইজারা নবায়ন, ইজারামূল্য পুনর্নির্ধারণ জমি ইজারার জন্য নতুন আবেদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে গত বছরের জুলাইয়ে কমিটি গঠন করে রেলওয়ে। রেলপথ মন্ত্রণালয়ে যুগ্ম সচিব (আইন) মো. রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে গঠিত পাঁচ সদস্যের কমিটি বিভিন্ন পর্যবেক্ষণসহ তিনটি সুপারিশ করেছে, যার মধ্যে সিএনজি স্টেশনের জন্য নতুন করে রেলের জমি ইজারা না দেয়ার কথা বলা হয়েছে।

ওই কমিটির পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ রেলওয়ে ক্রমবর্ধিষ্ণু। রেলওয়ের প্রধান কাজ রেল পরিচালনা করা, জমি ইজারা দেয়া নয়। যদিও বাড়তি আয়ের জন্য নন-কোর ব্যবসা হিসেবে জমি ইজারা দেয়া হয়। তবুও সিএনজি স্টেশনে ইজারা দেয়া জমি পরবর্তী সময়ে উদ্ধার করতে সমস্যায় পড়তে হয় রেলওয়েকে।

এসব কারণে নতুন করে আর কোনো সিএনজি স্টেশনে জমি বরাদ্দ না দেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। তবে বর্তমানে রেলের জমিতে যেসব সিএনজি স্টেশন রয়েছে, ইজারার মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পরও যতদিন বাংলাদেশ রেলওয়ের সেই জমি প্রয়োজন না হচ্ছে, ততদিন তারা সেখানে ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারবে।

এক্ষেত্রে বিদ্যমান ইজারামূল্য পুনর্নির্ধারণের পক্ষে মত দিয়েছে কমিটি। বিষয়ে কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০২ ২০০৩ সালের অর্থনীতি আর ২০১৮

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন