বৃহস্পতিবার | নভেম্বর ২১, ২০১৯ | ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

আন্তর্জাতিক ব্যবসা

শ্রীলংকা প্রসঙ্গে বিশ্বব্যাংক

অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে দরকার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সংস্কার

বণিক বার্তা ডেস্ক

চলতি বছর শ্রীলংকার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে দশমিক শতাংশে দাঁড়াতে পারে বলে এক প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বিশ্বব্যাংক। তবে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রাজস্ব বাড়ানোর চলমান সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে পারলে আগামী বছর নাগাদ দেশটির অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। খবর ইকোনমিনেক্সট।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শ্রীলংকা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরাতে পারলে দেশটির মধ্যমেয়াদি অর্থনৈতিক পূর্বাভাস পূরণের সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাতের কার্যক্রম তুলনামূলকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ায় চলতি বছর দেশটির প্রবৃদ্ধি দশমিক শতাংশ হতে পারে বলেও পূর্বাভাস করেছে একই প্রতিবেদন।

চলতি বছর দেশটির অর্থনীতি বিপর্যয়ের মধ্যে থাকলেও আগামী বছরের মধ্যে মধ্যম মেয়াদে সেখানকার অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে পারে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। আগামী বছর নাগাদ দেশটির প্রবৃদ্ধি বেড়ে শতাংশ হতে পারে, যা সেখানকার উৎপাদন ব্যবধান ক্রমে কমিয়ে আনবে।

দেশটির অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে বিনিয়োগ রফতানি খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এছাড়া পর্যটন খাতের অবস্থা চাঙ্গা হলে আসন্ন নির্বাচনের পর সেখানকার অনিশ্চয়তা কেটে গেলে, তাও প্রবৃদ্ধি ঊর্ধ্বমুখী হতে সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে একই প্রতিবেদন।

প্রতিষ্ঠানটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, শ্রীলংকার অর্থনীতিতে যেসব ঝুঁকি বিরাজ করছে, তা দেশটির অর্থনীতি শ্লথ করবে। রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ রাজস্ব বাড়াতে ব্যর্থতা কিংবা শ্লথগতি দেশটির অভ্যন্তরীণ সমস্যার অন্যতম। অন্যদিকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাত যতটা দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারবে বলে প্রত্যাশা করা হয়েছিল, ততটা দ্রুত না পারায় ঝুঁকি আরো বেড়েছে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের নভেম্বরে দেশটিতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী বছর সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রতিবেদনটি বলছে, দেশটি যেসব সংস্কার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে সেগুলোর মধ্যে আর্থিক খাতগুলোর সমন্বয় সাধনের দিকটি গুরুত্বপূর্ণ। অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে হলে করনির্ভর আর্থিক খাত একীভূত করার বিষয়টি অগ্রাধিকারের মধ্যে রাখতে হবে। এছাড়া সরকারি ব্যয়ও অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে করতে হবে বলে মত দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

অন্যদিকে দেশটির প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর জন্য বাণিজ্য, বিনিয়োগ, উদ্ভাবন ব্যবসায় পরিবেশের উন্নয়ন একান্ত দরকার বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন