রবিবার | নভেম্বর ১৭, ২০১৯ | ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

সম্পাদকীয়

অর্থনীতিতে নোবেল: কারা পাননি- এবার কে বা কারা পাবেন?

মোস্তফা মোরশেদ

অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার দেয়া নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। এর কারণ মূলত দুটি। প্রথমত, আলফ্রেড নোবেলের ঠিক করে দেয়া পাঁচটি বিষয় পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসা, সাহিত্য শান্তির মধ্যে এটি অন্তর্ভুক্ত ছিল না। ১৯৬৮ সালে সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৩০০তম বছর পূর্তি উপলক্ষে সুইডিশ ন্যাশনাল ব্যাংক প্রাইজ ইন ইকোনমিক সায়েন্স ইন মেমোরি অব আলফ্রেড নোবেল নামে নিয়মিত নোবেল পুরস্কারের পাশাপাশি এটি ঘোষণা করা হয়। ১৯৬৯ সালে অর্থনীতিতে প্রথম নোবেল পুরস্কার পান ডাচ অর্থনীতিবিদ জান টিনবারজেন নরওয়ের অর্থনীতিবিদ রাগনার ফ্রিশচ।

অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার দেয়ার ইতিহাস খুব একটা সুখকর নয়। ১৯৬০-এর দশকে সুইডেনের জনগণের কল্যাণে নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে সরকার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাঝে দ্বিমত দেখা দেয়। পরবর্তী সময়ে সরকার জয়লাভ করলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের মর্যাদা বাড়াতে পুরস্কারের ঘোষণা নিয়ে আসে। অর্থের পরিমাণ পুরস্কার দেয়ার নিয়ম বিবেচনায় এটি অন্যান্য নোবেলের মতো হলেও অনেকে মনে করেন, এটি মূল নোবেল পুরস্কারের সমতুল্য নয়। আলফ্রেড নোবেলের বংশধররা দীর্ঘদিন ধরে মূল পুরস্কার থেকে এটি বাদ দেয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের একজন পিটার নোবেল এটিকেকাকের বাসায় কোকিলের ছাবলেও অভিহিত করেছেন।

দুটি কারণের দ্বিতীয়টি হলো, অর্থনীতি এমন এক বিষয় যেখানে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিয়েও নোবেল পুরস্কার পাওয়া যায়। উদাহরণস্বরূপ, ইউগুন ফামা রবার্ট শিলার দুরকম বক্তব্য দিয়ে ২০১৩ সালে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। ফামা যেখানে বলেছিলেন বাজার (মূলত পুঁজিবাজার) সবসময় দক্ষ সেখানে শিলার বলেছেন বাজার দক্ষ নয়। ২০১৮ সালের নোবেল বিজয়ী পল রোমার দীর্ঘমেয়াদে প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর জন্য প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের বিষয়টিকে এন্ডোজেনাস বলে অভিহিত করেছেন। অন্যদিকে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের বিষয়টিকে এক্সোজেনাস বলে রবার্ট সলো ১৯৮৭ সালে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। ১৯৬৯ সাল থেকে শুরু হওয়া প্রক্রিয়ায় আমার মনে হয় সবচেয়ে সময়োপযোগী স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে গত বছর নোবেল পুরস্কার দেয়ার মধ্য দিয়ে, যেখানে মূলত সামষ্টিক অর্থনীতি মূল আলোচ্য ছিল। ২০১৮ সালের নোবেল জয়ীরা যে জায়গায় প্রবল আগ্রহ তৈরি করেছেন, তা হলো প্রবৃদ্ধি বাজার ব্যবস্থার পরস্পরবিরোধী অবস্থান। দীর্ঘ সময় ধরে চলে আসা দ্বন্দ্ব অর্থনীতির পাঠকদের এক ধরনের আনন্দ দান করছে। ডব্লিউ ডি নরডাউস বলেছেন, যদি বাজার তার আপন গতিতে চলে, তাহলে কার্বন নিঃসরণ বেড়ে যাবে; সুতরাং বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। অন্যদিকে পল রোমার বলেছেন, বাজার নিয়ন্ত্রণ করলে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন কমে আসবে। তবে ২০১৮ সালের নোবেল জয়ীদের দেয়া ধারণা আগামী দিনের অর্থনীতির গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

অর্থনীতির নোবেল পুরস্কার নিয়ে বিতর্কের আরো কিছু বিষয় রয়েছে। ১৮৯৫ সালে শুরু হওয়া বিষয়গুলো মূলত বিজ্ঞানের অংশ, যেখানে অর্থনীতিকে অনেকেই বিজ্ঞান বলতে নারাজ। ইতিহাস বিশ্লেষণে দেখা যায়, অর্থনীতি মূলত দর্শনতত্ত্ব আর নৈতিকতা যুক্তিনির্ভর একটা বিষয়, যেখানে গণিতের প্রভাব একসময় অনেক কম ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পৃথিবীর নতুনরূপে আবির্ভাবে উচ্চতর জটিল মাত্রার গণিত পরিসংখ্যানের প্রভাব বাড়তে থাকে। ফলে অনেকেই মনে করেন, অর্থনীতি তার মূল জায়গা থেকে ক্রমে সরে যাচ্ছে। কয়েক দশক ধরে গাণিতিক মডেলনির্ভর বিশ্লেষণের ওপর অধিক জোর দেয়ায় অর্থনীতি থেকে বিষয়ের মূল উপজীব্যমানুষহারিয়ে যেতে বসেছে। অর্থনীতি মূলত একটি সামাজিক বিজ্ঞান, যেখানে মানুষের জীবনধারণ প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত চলকগুলোই এর মূল উপাদান। তার পরও অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার আজ স্বীকৃত মর্যাদাকর প্রাপ্তি হিসেবে বিবেচিত। একটি গতিশীল বিষয় হিসেবে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার দেয়া যেতেই পারে। গণিত যে অর্থনীতির বড় একটা অংশজুড়ে রয়েছে, তা আরো স্পষ্ট হয় যখন আমরা দেখতে পাই অর্থনীতিতে নোবেলজয়ীদের অন্তত ১৩ শতাংশ অর্থনীতিবিদ গণিতে পিএইচডিধারী, আর অন্তত ৩৩ শতাংশ গণিতে স্নাতক ডিগ্রিধারী।

নারীদের অর্থনীতিতে নোবেল পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম। কারণ পর্যন্ত ইলিনর অস্ট্রাম নামে মাত্র একজন নারী পুরস্কার পেয়েছেন, যার আলোচনার বিষয় ছিল ইকোনমিকস অব কমন্স। নারীদের সংখ্যা কম হওয়ার একটি বড় কারণ আশি-নব্বইয়ের দশকে অর্থনীতির বৈজ্ঞানিক গবেষণায় তাদের অংশগ্রহণ কম ছিল। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গাণিতিক তত্ত্বনির্ভর কাজে তাদের অবদান বাড়ছে। আশা করা হয়, আগামীতে অর্থনীতির নোবেল পুরস্কার নারীদের দখলেই বেশি যাবে। এছাড়া বয়সী গবেষকদের পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। নোবেল বিজয়ীদের বয়স মূলত ৫১-৯০-এর মধ্যে বিরাজ করছে, যেখানে গড় বয়স ৬৭ বছর। ১৯৭২ সালে নোবেল জয়ী কেনেথ অ্যারো তাদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ, যার বয়স ছিল ৫১ বছর। কেউ কেউ পেয়েছেন যারা অর্থনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত ছিলেন না। যেমন ন্যাশ ইকুইলিব্রিয়ামের জনক জন ন্যাশ ছিলেন গণিতবিদ, ফ্রেড্রিক হায়েক ছিলেন আইন রাষ্ট্রবিজ্ঞানের। ২০১৭ সালে শিকাগো অর্থনীতিবিদ রিচার্ড থ্যালার ভোক্তা বা মানুষের মনস্তত্ত্ব বিশ্লেষণ করে পুরস্কার পেয়েছেন। আপনিশিকাগো বয়েজহয়ে থাকলে পুরস্কার পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে কারণ প্রায় ৮০ জন নোবেল বিজয়ীর ৩০ জনের মতো শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত।

লেখা মূলত দুভাগে বিভক্ত। প্রথমেই আলোচনা করা যাক অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কারের তালিকায় কারা জোর দাবিদার হলেও পুরস্কার পাননি। দ্বিতীয় ভাগে থাকবে এবার কে বা কারা পুরস্কারের দাবিদার। অনেক সময় ছোট ছোট বিষয়ে আলোকপাত করে পুরস্কার দেয়া হয়েছে; যেমন কন্ট্রাক্ট থিওরি, মার্কেট সিগন্যালিং, ডেরিভেটিভের ভ্যালু নির্ণয়, নন কো-অপারেটিভ গেম ইত্যাদি। কিন্তু বড় অবদানকে অস্বীকার করা হয়েছে। জন কেনেথ গলব্রেইথ নোবেল পাননি, যদিও তারদি এফ্লুয়েন্ট সোসাইটিবইটি আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে রচিত ক্ল্যাসিক রচনা হিসেবে স্বীকৃত। তার আর নোবেল পুরস্কার পাওয়ার সুযোগ নেই, কারণ মরণোত্তর পুরস্কার প্রদানের ব্যবস্থা নেই। সমালোচকরা মনে করেন, গলব্রেইথের লেখায় গাণিতিক বিশ্লেষণ না থাকায় নোবেল কমিটি তাকে মূল্যায়ন করেনি।

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে অর্থনীতিতে কী পরিবর্তন আসতে পারে সে বিষয়ে মার্টিন উইটজম্যান বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব হিসাব করলে এটি অর্থনীতির সবচেয়ে বড় আগ্রহের জায়গা হবে। তিনি বেঁচে থাকলে তার নোবেল পেতে হয়তো আরো সময় লাগত, কারণ প্রায় একই বিষয়ে গত বছর ডব্লিউ ডি নরডাউসকে পুরস্কার দেয়া হয়েছে। পুরুষদের তালিকা অনেক দীর্ঘ যারা নোবেল পুরস্কার দাবি করতে পারেন।

নারী অর্থনীতিবিদদের তালিকাও ছোট নয়। ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ জোয়ান রবিনসন বেশ জোরালোভাবে নোবেলপ্রাপ্তির তালিকায় ছিলেন। ১৯৩৩ সালে দি ইকোনমিকস গা ইমপারফেক্ট কমপিটিশন নিয়ে তিনি প্রথম আলোচনায় আসেন, যেখানে মনোপলি মনোপসনি বাজার ব্যবস্থা নিয়ে অসাধারণ কাজ করেছেন। এছাড়া তার বইঅ্যাকুমুলেশন অব ক্যাপিটাল (১৯৫৬)’ ইকোনমিক ফিলোসফি (১৯৬৩)’ অর্থনীতির চিন্তাধারায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। অনেকে মনে করেন বামপন্থী আদর্শের কারণে তিনি বঞ্চিত হয়েছেন।

রাজনীতি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক কীভাবে অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখে সুসান স্ট্র্যাঞ্জ সে বিষয়ে দীর্ঘদিন অবদান রেখেছিলেন। তার বিখ্যাত লেখা ইন্টারন্যাশনালপলিটিকস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিকস: কেজ অব মিউচুয়াল নেগলেক্টএকটি সুপাঠ্য। এছাড়া পুঁজিবাদ নিয়ে তার ক্যাসিনো ক্যাপিটাল সময়ের অন্যতম সেরা বই। সুসান বলতে চেয়েছেন, একটি দেশের অর্থনীতি ব্যাখ্যায় আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ফিন্যান্সিয়াল মার্কেট গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

এবার আসা যাক, চলতি বছর যারা নোবেল পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হতে পারেন তাদের সম্পর্কে। অর্থনীতিবিদদের মধ্যে অন্তত ৪০ জন রয়েছেন যাদের যে কেউ পুরস্কার বাগিয়ে নিতে পারেন। ভারতীয়দের মধ্যেই অন্তত চারজন রয়েছেন যারা অনেক বছর ধরেই আলোচনায়। তারা হলেন জগদীশ ভগবতী, পার্থ দাসগুপ্ত, রঘুরাম রাজন অভিনাশ কমলকার। কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জগদীশ ভগবতী দীর্ঘদিন ধরে বাণিজ্য বিষয়ে কাজ করছেন। দাশগুপ্তের কাজের মধ্যে এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড রিসোর্স অর্থনীতি উল্লেখযোগ্য। এছাড়া তিনি ইনক্লুসিভ ওয়েলথ ইনডেক্সের জনক। ভারতের বিশাল অর্থনীতির সফল মুদ্রানীতির জন্য রাজন অনেক সুনাম কুড়িয়েছেন। কমলকারের কাজের মধ্যে গেম থিওরি, বাণিজ্য, প্রবৃদ্ধি উন্নয়ন উল্লেখযোগ্য।

হাল আমলের সবচেয়ে কম বয়সী অর্থনীতিবিদ হিসেবে তুরস্কে জন্ম নেয়া ড্যারন একুমগলু এরই মধ্যে বিখ্যাত হয়েছেন। বয়স কম থাকায় (৫২ বছর) তার নোবেলপ্রাপ্তির সম্ভাবনা কম হলেও পুরস্কারটি পেয়ে গেলে খুব একটা অবাক হওয়ার নেই। বাজার অর্থনীতিতে সরকারের ভূমিকা আলোচনা করতে গিয়ে তিনি বলেছেন, সঠিক নিয়ন্ত্রণ সময়োপযোগী আইন নীতি ছাড়া বাজার সঠিকভাবে কাজ করবে না। এছাড়া ম্যাক্রোইকোনমিক চলকগুলোর সঠিক ধারণা নিতে তিনি ম্যাক্রোইকোনমিক চলকগুলোর গুরুত্ব সম্পর্কে আলোকপাত করেছেন। তার লেখাহোয়াই ডু ন্যাশনাল ফেইল?’ কিংবাহোয়াই ডেমোক্রেসি?’ অত্যন্ত আলোচিত বই। ক্যালিফোর্নিয়া-বার্কলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক বেরি আইচেনগ্রিন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ে কাজ করছেন। ২০১১ সালে তার লেখাদ্য রাইজ অ্যান্ড ফল অব দ্য ডলার অ্যান্ড দ্য ফিচার অব দি ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি সিস্টেমএকটি বিখ্যাত অবদান।

এছাড়া আরো অনেকের নোবেল পাওয়ার কথা থাকলেও সুইডেন থেকে এখনো ফোন পাননি। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতিবিদ মাইকেল ক্রেমার যিনি উন্নয়নে সামাজিক আন্তর্জাতিক ইস্যুগুলোর সমাধানে কাজ করছেন; মার্ক মেইলটিজ যিনি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ে কাজ করছেন; ডউগ বেহের্নহিম যিনি আর্থিক খাত নিয়ে কাজ করছেনতাদের মধ্যে অন্যতম।

নারীদের মধ্য হতে যে জন এবার নোবেল পেতে পারেন, তার মধ্যে ইশার ডুফ্লো মারিয়ানা মাজুকাটো তালিকার শীর্ষে। দারিদ্র্য বিমোচন উন্নয়ন ধারণায় সময়ের সবচেয়ে উঁচু কণ্ঠস্বর হলেন ইশার ডুফ্লো। দারিদ্র্যের সংজ্ঞায়ন এর বিমোচনে তিনি সামাজিক রীতিনীতি রাজনীতিকে গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।দ্য ভ্যালু অব এভরিথিং’-এর লেখক মারিয়ানা মাজুকাটোর মতে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক নীতিনির্ধারকরা একটি দেশে অর্থনৈতিক মূল্য সৃষ্টি করতে ব্যর্থ হয়েছেন। অর্থনৈতিক মূল্য সৃষ্টির বিষয়ে লিখতে গিয়ে তিনি দেশের উদ্ভাবনে সরকারের ভূমিকা কী হবে সে সম্পর্কে আলোকপাত করেছেন। তিনি একজন স্ক্র্যারিয়েস্ট (scariest) অর্থনীতিবিদ হিসেবে স্বীকৃতি পেলেও এখনো নোবেল পাননি। এছাড়া হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ক্লাউডিয়া গোলডিন মার্কিন অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে নারীদের ভূমিকা নিয়ে অনেকদিন ধরেই অসামান্য কাজ করছেন। নারীদের মধ্যে এন্যে ওসবর্ন ক্রুয়েগার (আন্তর্জাতিক বাণিজ্য), সুশান এথ্যে (অকশন বাজার ব্যবস্থাপনা) মারিয়্যান বার্ট্রান্ডের (শ্রম লিঙ্গ অসমতা) নোবেল পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আমারও বাজি একজন নারী অর্থনীতিবিদের পক্ষে। তবে এবারের অর্থনীতির নোবেল পুরস্কার কে পাচ্ছেন তা জানতে আপনাকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হচ্ছে।

 

মোস্তফা মোরশেদ: উন্নয়ন অর্থনীতি গবেষক

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন