রবিবার | জুলাই ১২, ২০২০ | ২৮ আষাঢ় ১৪২৭

টকিজ

মেকআপ নিয়েই পথচলা শুরু...

ফিচার প্রতিবেদক

আবার বসন্তের পর নতুন চলচ্চিত্র নিয়ে হাজির হচ্ছেন নির্মাতা অনন্য মামুন। লাইট ক্যামেরা অ্যাকশনের বাইরেও তারকাদের রয়েছে খুব সাধারণ জীবন। আর সে জীবনের গল্পই ফুটে উঠবে মেকআপ নামে আসন্ন চলচ্চিত্রটিতে। তারিক আনাম খান, রোশানের পাশাপাশি এতে অভিনয় করছেন নিপা আহমেদ রিয়েলী। মেকআপ চলচ্চিত্র দিয়েই রুপালি পর্দায় পথচলা শুরু তার। চলচ্চিত্রে প্রথম কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেন তিনি টকিজের সঙ্গে। তার সঙ্গে আলাপচারিতার কিছুটা তুলে ধরা হলো পাঠকের জন্য:

মেকআপে আপনি যে চরিত্রটিতে রূপ দিয়েছেন সেটি নিয়ে বলুন

চলচ্চিত্রটিতে অনেক তারকার গল্প ফুটে উঠবে। আমিও এক তারকা সে গল্পে। যে অনেক ছোট থেকেই স্বপ্ন দেখে বড় হয়ে নায়িকা হবে। একটা সময় সে স্বপ্ন পূরণ হয়। একজন সুপারস্টারের সহযোগিতায় সে তারকা বনে যায়। এর মধ্যেই বিভিন্ন চড়াই-উতরাইয়ের গল্প, ব্যক্তিগত জীবনের গল্প ফুটে ওঠে। চলচ্চিত্রের গল্প মূলত মেয়েটিকে ঘিরেই আবর্তিত হয়। বলা যায়, মুন্নি নামের সে চরিত্রটি চলচ্চিত্র জগতের অনেক নায়িকার জীবনের গল্প বলবে।

ছেলেবেলায় বাস্তবের রিয়েলীও কি নায়িকা হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন?

সত্যি বলতে চলচ্চিত্রের মুন্নি যেভাবে চাইত সুপারস্টার হতে, চলচ্চিত্রের নায়িকা হতে, আমিও ঠিক তা- চেয়েছি। বলা যায়, মেকআপের গল্পের অংশের সঙ্গে বাস্তব জীবনের গল্প অনেকটাই মিলে যায়। আমি ছোটবেলা থেকে চেয়েছি কোনো একদিন অভিনয় করব, নায়িকা হব। সে স্বপ্নই হয়তো পূরণ হতে চলেছে।

স্বপ্ন বাস্তব হলো যেভাবে...

চলচ্চিত্রের জন্য সংশ্লিষ্টরা এমন একজনকে খুঁজছিলেন যে পরিচিত মুখ নন। খুব সাধারণ কেউ, যাকে দেখে দর্শক আসলেই অনুধাবন করতে পারেন একটা সাধারণ মেয়ের তারকা হয়ে ওঠার গল্পটি। পরিচিত কোনো তারকা নিলে হয়তো দর্শক সেটি অনুভব করতে পারতেন না সেভাবে। কেননা তাদের মনে তো সে তারকা হয়েই রয়েছেন। যা- হোক, এমন কাউকে যখন খুঁজছিলেন তখনই মূলত মামুন ভাই আমাকে নির্বাচন করেন। আর আমারও যেহেতু চলচ্চিত্রে কাজের আগ্রহ ছিল আগে থেকেই, তাই রাজি হয়ে গেলাম।

পরিবার থেকে কোনো বাধা আসেনি?

আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে এখনো অভিনেত্রী হতে চাই, এটা বলা সহজ নয়। আমার মা আপত্তি করেননি কখনো। তিনি বিভিন্ন সময়ে স্কুল-কলেজের অনুষ্ঠানগুলোতে অভিনয় করতে আমাকে নিয়ে যেতেন, তখন চারপাশে সবাই তাকে বলত আপনার মেয়ে বেশ ভালো অভিনয় করে। প্রশংসাসূচক এমন কথাগুলো মায়ের ভালোই লাগত। ফলে তার দিক থেকে বাধা ছিল না। কিন্তু প্রথমদিকে বাবা রাজি ছিলেন না আমি অভিনয় করি।  আমি যখন উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করি তখন বাবা বলতেন অভিনয় করার দরকার নেই। কিন্তু এখন সে অবস্থা বদলেছে। বাবাও বাধা দেন না আর। উল্টো তিনি আমাকে আরো ভালোভাবে অভিনয়ের বিষয়ে অনুপ্রাণিত করেন। আমাকে নিয়ে কোনো সংবাদ প্রকাশ পেলে ডেকে নিয়ে দেখান।

পড়াশোনা করছেন কোথায়?

সরকারি তিতুমীর কলেজে সম্মান প্রথম বর্ষে পড়ছি আমি।

অভিনয়ের ওপর কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিল কি?

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন