মঙ্গলবার | অক্টোবর ২২, ২০১৯ | ৭ কার্তিক ১৪২৬

টেলিকম ও প্রযুক্তি

প্রথম ‘মেড ইন আফ্রিকা’ স্মার্টফোন

বণিক বার্তা ডেস্ক

প্রযুক্তি খাতে আফ্রিকার দেশগুলোকে বরাবরই বড় বাজার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এবার আফ্রিকার প্রযুক্তি জগতে নতুন একটি দিগন্তের সূচনা করেছে রুয়ান্ডা। সম্প্রতি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মারা গ্রুপ নতুন দুটি মডেলের স্মার্টফোন দেশটির বাজারে ছেড়েছে। বলা হচ্ছে, দুই মডেল মেড ইন আফ্রিকা স্মার্টফোনের প্রথম সংস্করণ। এর মধ্য দিয়ে জাতীয় অর্থনীতিতে বড় ধরনের ভূমিকা রাখার পাশাপাশি আঞ্চলিক প্রযুক্তি জগতে রুয়ান্ডাকে শক্ত অবস্থানে নেয়ার উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে চাইছে মারা গ্রুপ। খবর রয়টার্স।

গুগলের অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম দ্বারা পরিচালিত মারা এক্স মারা জেড নামের দুটি স্মার্টফোন বাজারে ছেড়েছে রুয়ান্ডার প্রতিষ্ঠানটি। মারা এক্স স্মার্টফোনটির দাম ধরা হয়েছে লাখ ৭৫ হাজার ৭৫০ রুয়ান্ডান ফ্রাংক (স্থানীয় মুদ্রা) বা ১৯০ ডলার। অন্যদিকে মারা জেড স্মার্টফোনটির দাম ধরা হয়েছে লাখ ২০ হাজার ২৫০ রুয়ান্ডান ফ্রাংক বা ১৩০ ডলার।

রুয়ান্ডার বাজারে দুটি নতুন মডেলের স্মার্টফোনকে স্যামসাংয়ের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে। দেশটিতে স্যামসাংয়ের সবচেয়ে কম দামের স্মার্টফোনটি ৫০ হাজার রুয়ান্ডান ফ্রাংক বা ৫৪ ডলারে পাওয়া যায়। অন্যদিকে নন-ব্র্যান্ডেড স্মার্টফোন বিক্রি হয় সর্বনিম্ন ৩৭ ডলারে। কারণে আফ্রিকার দেশটিতে ১৩০ ১৯০ ডলারের স্মার্টফোন কতটা বাজার দখল করতে পারবে, সেটা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বিষয়ে মারা গ্রুপের সিইও আশিস থাক্কার বলেন, মারা এক্স মারা জেড মেড ইন আফ্রিকা স্মার্টফোনের প্রথম সংস্করণ। বিদেশ থেকে যন্ত্রাংশ আমদানির পর আফ্রিকায় সংযোজন করে দুটি মডেলের স্মার্টফোন তৈরি করা হয়েছে। কারণে প্রাথমিক অবস্থায় মডেল দুটির দাম তুলনামূলক বেশি। তবে ভালো মানের পণ্য পেতে হলে ব্যবহারকারীদের একটু বেশি অর্থ ব্যয় করতে হবে।

১৯৯৬ সালে যাত্রা করে মারা গ্রুপ। আফ্রিকা মধ্যপ্রাচ্যে প্রযুক্তি, রিয়েল এস্টেট আর্থিক খাতে কোম্পানিটির বিনিয়োগ রয়েছে। মিসর, ইথিওপিয়া, রুয়ান্ডা, আলজেরিয়া দক্ষিণ আফ্রিকায় স্মার্টফোন তৈরির কারখানা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। এসব কারখানায় আমদানি করা যন্ত্রাংশ সংযোজনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ স্মার্টফোন তৈরি করে মারা গ্রুপ।

আশিস থাক্কার জানান, কোটি ৪০ লাখ ডলার ব্যয়ে রুয়ান্ডায় স্মার্টফোন তৈরির কারখানা করা হয়েছে। এতে প্রতিদিন হাজার ২০০টি স্মার্টফোন তৈরি করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে কারখানায় মাদারবোর্ড তৈরি করা হচ্ছে।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন