সোমবার | নভেম্বর ১৮, ২০১৯ | ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

দেশের খবর

চট্টগ্রামে উৎপাদিত চায়ের সিংহভাগই ফটিকছড়ির

বণিক বার্তা প্রতিনিধি মিরসরাই

চট্টগ্রামে উৎপাদিত চায়ের সিংহভাগই ফটিকছড়িতে উৎপাদন হচ্ছে। জেলার ২২টি চা বাগানের ১৭টিরই অবস্থান ফটিকছড়ি উপজেলায়। এসব বাগান থেকে বছরে চা উৎপাদন হচ্ছে ৭৬ লাখ কেজিরও বেশি।

চা সংসদ চট্টগ্রাম অঞ্চল সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামের ২২টি বাগান থেকে বছরে ৮২ লাখ কেজি চা উৎপাদন হয়। এর মধ্যে ফটিকছড়ির ১৭টি বাগান থেকে উৎপাদন হয় ৭৬ লাখ ৫৮ হাজার ৯০০ কেজি। উপজেলার বাগানগুলোর মধ্যে বছরে এশিয়া টি স্টেটে ৩ লাখ ৬৩ হাজার ২৭৫, আন্ধারমানিক টি স্টেটে ৮২ হাজার ৩৯৭, বারোমাসিয়া টি স্টেটে ৯ লাখ ১৮ হাজার ৪৪৮, দাঁতমারা টি স্টেটে ৭২ হাজার ৮১১, ইল্লাহিনূর টি স্টেটে ৩ লাখ ৪৬ হাজার ৪০১, হালদা ভ্যালি টি স্টেটে ৯ লাখ ১ হাজার ৪৫০, কর্ণফুলী টি স্টেটে ১৬ লাখ ৩০ হাজার ২১৮, কাইয়াছড়া দালু টি স্টেটে ৭ লাখ ২২ হাজার ২২৯, মা জান টি স্টেটে ১ লাখ ৫৩ হাজার ১৭৫, মোহাম্মদ নগর টি স্টেটে ৫২ হাজার ৮৬১, নাসিয়া টি স্টেটে ৭৮ হাজার ৭৪৬, নেপচুন টি স্টেটে ১০ লাখ ৯৩ হাজার ৪৫৮, নিউ দাঁতমারা টি স্টেটে ২ লাখ ১৩ হাজার ১, ওদালাহ টি স্টেটে ৮ লাখ ৭২ হাজার ২৮, পঞ্চবটি টি স্টেটে ৩ লাখ ২৩ হাজার ৪১৭, রামগড় টি স্টেটে ৬ লাখ ১৬ হাজার ৫৪০ ও রাঙ্গাপানি টি স্টেটে ৬ লাখ ১৬ হাজার ৫৪০ কেজি চা উৎপাদন হয়। এসব বাগানে কর্মরত শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ৩৫ হাজার।

সরেজমিন গিয়ে হালদা ভ্যালি টি স্টেটে গিয়ে দেখা যায়, ৫২ একর পাহাড়ি ঢালু জমিতে এ চা বাগানের অবস্থান। এখানে কাজ করছেন ১ হাজার ৫২ জন শ্রমিক।

হালদা ভ্যালি টি স্টেটের সিনিয়র ম্যানেজার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ভূমি ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে চা বাগানগুলো পরিচালিত হয়। তবে ভারত থেকে চোরাইপথে রামগড় ও ছাগলনাইয়া সীমান্ত দিয়ে চা পাতা আসায় দেশে উৎপাদিত চায়ের উপযুক্ত দাম পাওয়া যাচ্ছে না।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম অঞ্চল চা সংসদের চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম বণিক বার্তাকে বলেন, ফটিকছড়ির চা বাগান ছাড়া চট্টগ্রামের চায়ের বাজার অচল। সরকার চা বাগানের মালিকদের সুযোগ-সুবিধা দিলে দেশে চায়ের বাজার আরো প্রসারিত হবে।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন