বৃহস্পতিবার | নভেম্বর ১৪, ২০১৯ | ৩০ কার্তিক ১৪২৬

দেশের খবর

পর্যটকদের জন্য প্রস্তুত লালমনিরহাটের ৯টি দর্শনীয় স্থান

বণিক বার্তা প্রতিনিধি লালমনিরহাট

ঈদুল আজহার ছুটিতে অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে ঘুরতে যান। তাই বছরের অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় ঈদে পর্যটন স্পটগুলোয় পর্যটকদের ভিড় থাকে বেশি। পর্যটকদের কাছে আকর্ষনীয় করে তুলতে ঈদের মাসখানেক আগে থেকেই এসব স্পটে চলে  সংস্কারকাজ। এরই মধ্যে লালমনিরহাটের নয়টি দর্শনীয় স্থান পর্যটকদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, ঈদুল আজহার ছুটিতে এসব স্থানে পাঁচ-ছয় লাখ দর্শনার্থীর সমাগম ঘটবে।

প্রতি বছর পাটগ্রাম উপজেলার আন্তর্জাতিক তিনবিঘা করিডোর, বুড়িমারী স্থলবন্দর, হাতীবান্ধা উপজেলার জাতীয় সম্পদ তিস্তা ব্যারাজ সেচ প্রকল্প, স্থানীয় নওদাবাস শালবন, লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলা ও রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার সংযোগস্থল কাকিনা-মহীপুর ঘাট এলাকায় তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত ‘গঙ্গাচড়া শেখ হাসিনা তিস্তা সেতু’, লালমনিরহাট সদর উপজেলার শেখ রাসেল শিশুপার্ক, আনন্দলোক পার্ক, কুলাঘাটে নির্মিত ‘শেখ হাসিনা ধরলা সেতু’ ও লালমনিরহাট দ্বিতীয় তিস্তা সেতু পার্কে বিভিন্ন জেলা থেকে আসা মানুষ ভিড় করে। ঈদুল আজহার দিন থেকে শুরু করে পরবর্তী চার-পাঁচদিন পর্যন্ত চলে এসব স্পটে পর্যটকদের আনাগোনা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী লিজু হাসান বলেন, প্রতি বছর ঈদ ও পূজার সময় লালমনিরহাটে বিভিন্ন জেলার মানুষ তিনবিঘা করিডোরসহ দহগ্রামে বেড়াতে আসে। এজন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদেরও তত্পরতা প্রয়োজন।

লালমনিরহাটের হাঁড়িভাঙ্গায় অবস্থিত আনন্দলোক পার্ক ও জেলা প্রশাসনের পাশে অবস্থিত শেখ রাসেল শিশুপার্ক এলাকার বাসিন্দা তারেক সরকার জানান, এসব পার্কে ঈদ-পরবর্তী সময়ে আসা দর্শনার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পুলিশি নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন।

লালমনিরহাট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান বলেন, জেলায় বিনোদন স্পট নেই বললেই চলে। জেলা পরিষদের উদ্যোগে শেখ রাসেল শিশুপার্কটই বিনোদনের জন্য একমাত্র ভরসা। প্রতি বছরের মতো এবারো শিশুদের বিভিন্ন রাইডের পাশাপাশি বড়দের জন্যও নানা রকম আয়োজন থাকছে আমাদের। নিরাপত্তার জন্য আমাদের নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি পুলিশ সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করবেন।

লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজ আলম ও পাটগ্রাম থানার ওসি মনসুর আলী সরকার বলেন, ঈদে ঘুরতে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হবে। কোথাও অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা সৃষ্টির সুযোগ দেয়া হবে না। বিনোদন স্পটগুলোয় সাদা পোশাকের পাশাপাশি পোশাকধারী পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।

লালমনিরহাট পুলিশ সুপার এসএম রশিদুল হক বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে প্রত্যেকটি বিনোদন স্পটে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি পুলিশের ভ্রাম্যমাণ মোবাইল টিমও মাঠে কাজ করবে। কোথাও যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেজন্য সাদা পোশাকে পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন