সোমবার | নভেম্বর ১৮, ২০১৯ | ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

আন্তর্জাতিক ব্যবসা

এয়ারবাসের মুনাফা বেড়েছে ৭২%

বণিক বার্তা ডেস্ক   

দ্বিতীয় প্রান্তিকে এয়ারবাসের পরিচালন মুনাফা ৭২ শতাংশ বেড়ে ১৯৮ কোটি ইউরোয় দাঁড়িয়েছে, যা পূর্বাভাসের তুলনায় বেশি। একক করিডোরের উড়োজাহাজের বিক্রি বাড়ায় এ মুনাফা এসেছে বলে জানিয়েছে এয়ারবাস কর্তৃপক্ষ। পূর্বাভাসের তুলনায় বেশি মুনাফা হওয়ায় এয়ারবাসের চলতি বছরের মুনাফার লক্ষ্যপূরণ সম্ভব হলেও চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধে সরবরাহ আদেশ নিয়ে কোম্পানিটি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। খবর রয়টার্স।

এয়ারবাসের মূল বাণিজ্যিক উড়োজাহাজের সমন্বিত পরিচালন মুনাফা দ্বিগুণ বাড়ার কারণে দ্বিতীয় প্রান্তিকে এয়ারবাসের মুনাফা পূর্বাভাসকে ছাড়িয়ে গেছে। কোম্পানিটির আয় ২৩ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৮৩২ কোটি ইউরোয় দাঁড়িয়েছে। দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির মোট আয় ১ হাজার ৭৮২ কোটি ইউরো হতে পারে বলে পূর্বাভাস করেছিলেন বিশ্লেষকরা, যার মধ্যে সমন্বিত প্রান্তিক পরিচালন আয় ধরা হয়েছিল ১৭৭ কোটি ইউরো।

চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে সরবরাহ আদেশ বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা থাকায় এয়ারবাস জার্মানির হামবুর্গে নিজেদের সম্প্রসারিত কারখানায় এ জাতীয় সমস্যা এড়ানোর চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। হামবুর্গের এ কারখানায় কোম্পানিটির নতুন সংস্করণের এ৩২১নিও উড়োজাহাজ নির্মাণ করা হয়। এ৩২১নিও হচ্ছে এয়ারবাসের সবচেয়ে বড় এবং একক করিডোরবিশিষ্ট উড়োজাহাজের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রীত উড়োজাহাজ।

চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধে এয়ারবাস সরবরাহ আদেশ, বিশেষত নগদ অর্থের লেনদেন নিয়ে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটির প্রধান নির্বাহী গিলিয়াম ফিউরি। যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িংয়ের ৭৩৭ ম্যাক্স বিশ্বজুড়ে ধারণার তুলনায় বেশিদিন গ্রাউন্ডেড থাকার সুযোগে চলতি বছর বিশ্বের বৃহত্তম উড়োজাহাজ নির্মাতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চায় ইউরোপভিত্তিক উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস। প্রসঙ্গত, পাঁচ মাসের ব্যবধানে বোয়িংয়ের দুটি উড়োজাহাজ দুর্ঘটনার শিকার হওয়ায় উড়োজাহাজ নিয়ন্ত্রণ সংস্থাগুলো এ সিরিজের উড়োজাহাজগুলো বিশ্বব্যাপী গ্রাউন্ডেড রাখার আদেশ দিয়েছে। এ নিষেধাজ্ঞা কবে নাগাদ তুলে নেয়া হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। এদিকে গত সপ্তাহে নিজেদের সবচেয়ে বড় ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিকের কথা জানিয়েছে বোয়িং কর্তৃপক্ষ।

চাহিদা কম থাকায় এয়ারবাস নিজেদের এ৩৮০ সুপারজাম্বোর উৎপাদন বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ বাবদ কোম্পানিটির ব্যয় হতে পারে ৭ কোটি ৫ লাখ ইউরো। এদিকে চার বছর ধরে চলমান এক তদন্তের সার্বিক ব্যয় বাবদ কোম্পানিটির আরো ৯ কোটি ইউরো ব্যয় হতে পারে বলে জানিয়েছে এয়ারবাস কর্তৃপক্ষ। তবে এ তদন্ত খাতে মামলা পরিচালনা, সম্ভাব্য ক্ষতিপূরণসহ মোট কত অর্থ ব্যয় হতে পারে, তা এখনো স্পষ্ট নয় বলে জানিয়েছে এয়ারবাস।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন