পণ্যবাজার

১১ মাসের সর্বনিম্নে মালয়েশিয়ান পাম অয়েলের মজুদ

বণিক বার্তা ডেস্ক | ০০:০০:০০ মিনিট, জুলাই ২০, ২০১৯

মালয়েশিয়া বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পাম অয়েল উৎপাদক ও রফতানিকারক দেশ। চলতি বছরের শুরু থেকে উৎপাদন খাতের মন্দা ভাবের কারণে দেশটিতে পাম অয়েলের মজুদ কমতে শুরু করেছিল। এ ধারাবাহিকতায় গত জুনে দেশটিতে পাম অয়েলের সমাপনী মজুদ কমে ১১ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে নেমে এসেছে। এ সময় মালয়েশিয়ায় পণ্যটির উৎপাদন কমতির দিকে ছিল। সর্বশেষ মাসভিত্তিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মালয়েশিয়ান পাম অয়েল বোর্ড (এমপিওবি)। খবর স্টার অনলাইন ও রয়টার্স।

এমপিওবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত জুনে মালয়েশিয়ায় পাম অয়েলের সমাপনী মজুদ দাঁড়িয়েছে ২৪ লাখ ২০ হাজার টনে, যা মে মাসের তুলনায় দশমিক ৯৭ শতাংশ কম। ২০১৮ সালের জুলাইয়ের পর থেকে দেশটিতে এটাই পাম অয়েলের সর্বনিম্ন মজুদ।

এর আগে রয়টার্সের এক জরিপভিত্তিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, জুন শেষে মালয়েশিয়ায় পাম অয়েলের সমাপনী মজুদ ২৩ লাখ ৫০ হাজার টনে নেমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বাস্তবে পণ্যটির মজুদ এতটাও কমেনি। 

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুনে মালয়েশিয়ায় পাম অয়েল উৎপাদনেও মন্দা ভাব বজায় ছিল। এ সময় মালয়েশিয়ান উৎপাদনকারীরা সব মিলিয়ে ১৫ লাখ ২০ হাজার টন পাম অয়েল উৎপাদন করেছে, যা গত মে মাসের তুলনায় ৯ দশমিক ২ শতাংশ কম। একই সঙ্গে এটা ২০১৮ সালের জুলাইয়ের পর সর্বনিম্ন।

তবে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি-জুন) দেশটির  সম্মিলিত উৎপাদন আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে। এ সময় মালয়েশিয়ায় সব মিলিয়ে ৯৭ লাখ ৯০ হাজার টন পাম অয়েল উৎপাদন হয়েছে। আগের বছরের একই সময়ে পণ্যটির উৎপাদনের পরিমাণ ছিল মোট ৮৯ লাখ টন। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে পাম অয়েলের সম্মিলিত উৎপাদন ৮ লাখ ৬০ হাজার টন বেড়েছে।

এদিকে গত জুনে মালয়েশিয়ার পাম অয়েল রফতানিতেও মন্দা ভাব দেখা গেছে। এ সময় দেশটি থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সব মিলিয়ে ১৩ লাখ ৮০ হাজার টন পাম অয়েল রফতানি হয়েছে, যা আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ১৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ কম।

অন্যদিকে গত জানুয়ারি-জুন সময়ে মালয়েশিয়ার বাজারে পাম অয়েলের দামে ৮ শতাংশ মন্দা ভাব দেখা গেছে। মূলত রফতানি চাহিদায় শ্লথতার কারণে দেশটিতে পণ্যটির বাজার পরিস্থিতি নিম্নমুখী হয়ে পড়েছে। তবে জুনে মজুদ হ্রাস পাওয়ায় এর দাম কিছুটা বেড়েছিল।