খবর

আরো আড়াই লাখ টন ধান কিনবে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০০:০০:০০ মিনিট, জুলাই ১২, ২০১৯

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বোরো ধান নিয়ে সরকার বেশ উদ্বিগ্ন। এর মূল কারণ হলো খাদ্যগুদামের ধারণক্ষমতা। বর্তমানে খাদ্যগুদামের ধারণক্ষমতা প্রায় ২১ লাখ টন। চলতি বোরো মৌসুমে সরকার ১২ লাখ টন চাল ও দেড় লাখ টন ধান কেনার যে কার্যক্রম হাতে নিয়েছে, এর সঙ্গে নতুন করে আরো আড়াই লাখ টন ধান কেনা হবে। অর্থাৎ চার লাখ টন ধান কেনা হবে। প্রয়োজনে তা আরো বাড়ানো হবে।

তিনি বলেন, ধান সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে কেনা হবে। এখানে সিন্ডিকেটের কোনো কাজ নেই। কৃষি মন্ত্রণালয় ধান-চালের আর্দ্রতা মাপার জন্য তিন হাজার মেশিন কিনবে। ফলে কৃষক মিলে চাল নিয়ে যাওয়ার আগে তার ধান-চালের আর্দ্রতা ঠিক আছে কিনা জেনে নিতে পারবেন।

গতকাল খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের সঙ্গে তার কার্যালয়ে বৈঠক করেন কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন কৃষিমন্ত্রী ও খাদ্যমন্ত্রী।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, উৎপাদন বেশি হলেই কৃষক তার পণ্যের প্রকৃত দাম পান না। কিন্তু তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা অপরিহার্য। এর জন্য প্রয়োজন কৃষির প্রক্রিয়াজাত ও বাণিজ্যিকীকরণ এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজার। এ ক্ষেত্রে আমাদের সহযোগিতা প্রয়োজন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ধানের উৎপাদন ও কৃষি মজুরি বেশির কারণে এবার এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার ধানের মূল্য নির্ধারণ করেছে কেজিপ্রতি ২৬ টাকা। তবে আমাদের খাদ্যগুদামের ধারণক্ষমতা কম। এ কারণে দেশের ২০০ স্থানে পাঁচ হাজার টন ধারণক্ষমতার স্টিলের সাইলো নির্মাণ করা হবে। এখানে ধান শুকানোর জন্য ড্রাই মেশিন থাকবে। এছাড়া সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কিনে মিল মালিকদের মাধ্যমে চাল তৈরি করে মিলারদের কাছ থেকে চাল কেনা যায় কিনা তাও দেখা হবে। সর্বোপরি কৃষকদের কল্যাণে সরকার অত্যন্ত আন্তরিক।