খেলা

ড্র করেও দ্বিতীয় রাউন্ডে বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক | ০০:০০:০০ মিনিট, জুলাই ১২, ২০১৯

লাওসের বিপক্ষে দুই লেগ মিলিয়ে ১-০ গোলে জিতে বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠল বাংলাদেশ। ভিয়েনতিয়েনে ৬ জুন প্রথম লেগে ১-০ গোলে জয় পায় লাল-সবুজরা। গতকাল বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ফিরতি লেগের ম্যাচ শেষ হয় গোলশূন্যভাবে।

র‍্যাংকিংয়ের ভিত্তিতে ৩৪ দেশ এশিয়ার বিশ্বকাপ বাছাইয়ের দ্বিতীয় রাউন্ডে সরাসরি খেলবে। তাদের সঙ্গে যোগ দেবে প্রাক-বাছাই প্লে-অফ খেলে আসা ছয় দেশ। এই ৪০ দেশ আট গ্রুপে বিভক্ত হয়ে পরের রাউন্ডে খেলবে। প্রতি গ্রুপের শীর্ষ দলগুলোর সঙ্গী হয়ে পরের রাউন্ডে যাবে চার সেরা রানার্সআপ দলও। ১৭ জুলাই কাতারের দোহায় বাছাইয়ের ড্র’র পর দ্বিতীয় রাউন্ডে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ সম্পর্কে জানা যাবে।

গত বিশ্বকাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশের গ্রুপে পরাক্রমশালী অস্ট্রেলিয়া-জর্ডান ছাড়াও ছিল তাজিকিস্তান ও কিরগিজস্তান। এবার দ্বিতীয় রাউন্ডে শীর্ষ কোনো দেশের গ্রুপসঙ্গী হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না।

দ্বিতীয় রাউন্ডে অন্তত চারটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশ। ওই রাউন্ড থেকে পরবর্তী পর্বে উত্তরণ কঠিন। পরবর্তী পর্বের বাধা টপকাতে না পারলেও এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে আরো ম্যাচ খেলার সুযোগ থাকবে বাংলাদেশের সামনে।

পরবর্তী পর্বের টিকিট পেতে বাংলাদেশের ড্র-ই যথেষ্ট; জয়ের বিকল্প ছিল না লাওসের, ভাবনায় রাখতে হতো ব্যবধানও। এমন সমীকরণের লড়াইটা বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণেই ছিল। প্রথমার্ধে অধিনায়ক সুক আফোনের একটি সেটপিস খানিক অস্বস্তিতে ফেলেছিল বাংলাদেশ গোলরক্ষক আশরাফুলকে। পরবর্তী সময়ে ইয়াসিন খানের ব্যাকপাস এ গোলরক্ষক ক্লিয়ার করার আগে কিছুটা ভীতি ছড়ান প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়। দুটি ঘটনা বাদ দিলে বড় কোনো পরীক্ষায় পড়তে হয়নি স্বাগতিকদের। একের পর এক সুযোগ সৃষ্টি করলেও গোল করতে পারেনি বাংলাদেশ।

৮ মিনিটে জামাল ভূইয়ার সেটপিস থেকে ইয়াসিন হেডের জন্য লাফিয়েও ব্যর্থ হন। পরবর্তী সময়ে রবিউলের কর্নার প্রতিপক্ষ গোলরক্ষক জায়শাবাথ ফিস্ট করেন। ১৬ মিনিটে জীবনের শট সরাসরি লাওস গোলরক্ষকের হাতে যায়। ৫ মিনিট পর রবিউলের প্রচেষ্টাও গেছে গোলরক্ষকের হাতে।

৪ মিনিটের ব্যবধানে দারুণ সুযোগ পান জীবন, এ যাত্রায় গোলরক্ষকের দক্ষতায় রক্ষা পায় লাওস। খানিক বাদে জামাল ভূইয়ার কর্নার থেকে ইয়াসিনের হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৩৮ মিনিটে ম্যাচের সহজতম সুযোগ নষ্ট করেন জীবন। রবিউলের দারুণ ক্রসে ফাঁকা পোস্টে বল ঠেলতে পারেননি তিনি। ৫৩ মিনিটে আরেকটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেন আবাহনী ফরোয়ার্ড। এবার ইব্রাহিমের ক্রসে ওয়ান-টু-ওয়ান অবস্থায় গোল করতে পারেননি। ৮৮ মিনিটে ছোট বক্সের সামনে থেকে ঠাণ্ডা মাথায় হেড করেও বল বাইরে পাঠান ইব্রাহিম। বামদিকে বল ধরে দুরন্ত গতিতে এক ডিফেন্ডারকে ছিটকে ফেলা সোহেল রানা গোলমুখে ক্রস ফেলেছিলেন।