ঈপ্সনীয়

রসুইঘর তৈরি তো?

ফিচার ডেস্ক | ০০:০০:০০ মিনিট, জুলাই ১২, ২০১৯

বিশেষ দিন মানেই ভরপুর খাওয়া-দাওয়া আর আনন্দ। ঈদের দিনও এর ব্যতিক্রম নয়। টেবিলভর্তি মজাদার খাবার, বাড়িতে অতিথি আগমন, সব মিলিয়ে উৎসবভাব পুরোটাই ফুটে ওঠে। অতিথি আপ্যায়নে টেবিলে মুখরোচক খাবার পরিবেশন করতে গৃহিণীকে রান্নাঘরেই ব্যস্ত সময় পার করতে হয়। ঈদের আগে কিছু কাজ গুছিয়ে রাখলে পরবর্তীতে ঝামেলা কমে যাবে অনেকটাই। রান্নাঘর প্রস্তুত রাখতে কিছু বিষয় মাথায় রাখতে পারেন—

ঈদের দিন রান্নার কাজে লাগবে এমন জিনিসগুলো গুছিয়ে রাখার জন্য কিচেন কেবিনেটের ভেতরটা শুকনো কাপড় দিয়ে ভালো করে মুছে নিন। এরপর জিনিসপত্রগুলো গুছিয়ে রাখুন সেখানে। ফলে প্রয়োজনের সময় সহজেই হাতের নাগালে পাবেন সেসব।

যেহেতু ঈদের দিন থেকেই কমবেশি অতিথি আসা শুরু করেন। সেক্ষেত্রে অতিথি আপ্যায়নে বিভিন্ন খাবার পরিবেশনে কাপ-পিরিচ, প্লেট, বাটি প্রয়োজন হয়। এগুলো একদিন আগেই ধুয়ে-মুছে প্রস্তুত করে রাখতে পারেন। এতে ঈদের দিন বাড়তি ঝামেলা কম হবে।

রান্নার জন্য প্রয়োজনীয় মসলাগুলো আগেই প্রস্তুত করে রাখুন। মসলাগুলো হাতের কাছেই সাজিয়ে রাখুন। আরো ভালো হয়, যদি মাংসের মসলা, বিরিয়ানির মসলা, চটপটির মসলা এভাবে আলাদাভাবে মিশিয়ে রাখতে পারেন। তাহলে কাজ অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে।

প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র যেমন ছুরি, বটি, দা, কাঁচি, চপার বোর্ড, হাঁড়ি-পাতিল সব গুছিয়ে রাখুন।

ঈদের দিন মায়সের কোনো আইটেম তৈরি করতে চাইলে সেগুলো আগেই ধুয়ে-মুছে টুকরো করে ফ্রিজে রেখে দিন। প্রয়োজনে আগের দিন রাতে মেরিনেট করে রাখতে পারেন। এতে ঈদের দিন রান্না হতে সময় কম লাগবে।

ফ্রিজ, ওভেন, রাইসকুকার, ব্লেন্ডার ও ফুড প্রসেসর এসব যন্ত্রপাতি পরিষ্কার করিয়ে রাখুন। প্রয়োজনে সার্ভিসিং করিয়ে নিন। বিশেষ দিনে এসব জিনিসের ব্যবহার বেড়ে যায় অনেকখানিই।

অনেক দিন ব্যবহার না করার ফলে কিংবা কখনো নিয়মিত ব্যবহারের কারণে তৈজসে বিভিন্ন রকম দাগ তৈরি হতে পারে। বাসন-কোসন থেকে কড়া দাগ পরিষ্কার করতে পাত্রটি কিছুক্ষণ ভিনেগারে ভিজিয়ে রেখে মাজনিতে লবণ নিয়ে ঘষে ঘষে পরিষ্কার করতে হবে।

ঝকঝকে রান্নাঘর চাইলে বাসন-কোসনসহ অন্যান্য আসবাব ঝকঝকে রাখাটাও জরুরি। চপিং বোর্ড পরিষ্কারের ক্ষেত্রে এতে সামান্য লবণ ও ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়ে প্রাশ দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করে নিন।