প্রথম পাতা

সেরা ব্যাংক ২০১৮ : আবারো শীর্ষ অবস্থানে ডাচ্-বাংলা ব্র্যাক ইবিএল

মাহফুজ উল্লাহ বাবু ও হাছান আদনান | ০০:১৬:০০ মিনিট, মে ১৩, ২০১৯

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৩০টি ব্যাংকের আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে এবারো সেরা ব্যাংকের তালিকা করেছে বণিক বার্তা। ২০১৮ সালের নিরীক্ষিত ফলাফলের ভিত্তিতে এবারের তালিকা তৈরিতেও মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনায় নেয়া হয়েছে সম্পদের বিপরীতে আয়, শেয়ারহোল্ডারদের মালিকানার বিপরীতে আয়, শ্রেণীকৃত ঋণ অনুপাত, শেয়ারপ্রতি আয়, শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য, মূলধন পর্যাপ্ততার অনুপাত ও শাখাপ্রতি পরিচালন মুনাফাকে। সাতটি নির্দেশকের ভিত্তিতে তৈরি সার্বিক পয়েন্ট টেবিলে একেকটি ব্যাংকের জন্য মোট স্কোর ধরা হয়েছে ৭০, যেখান থেকে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতেই তালিকাটি প্রস্তুত করা হয়েছে। পরিশোধিত মূলধনে তারতম্যের প্রভাব এড়িয়ে ব্যাংকগুলোর ব্যবসায়িক সক্ষমতা অনুধাবনে শেয়ারপ্রতি আয় ও শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য বাদে বাকি পাঁচটি নির্দেশকে প্রাপ্ত স্কোর ও এর ভিত্তিতে করা র‌্যাংকিংও প্রকাশ করা হলো

উপাত্ত সহযোগিতা: লংকাবাংলা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট রিসার্চ

২০১৮ সাল ছিল ব্যাংকিং খাতের জন্য অন্যতম আলোচিত বছর। খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়া ও তারল্য সংকটের কারণে কঠিন সময় পার করেছে খাতটি। এর মধ্যেও বরাবরের মতোই ভালো করেছে কিছু ব্যাংক। তবে বড় অংশের অবস্থাই ভালো নয়।

একটি ব্যাংকের প্রকৃত অবস্থা বুঝতে বৈশ্বিক কিছু মানদণ্ড রয়েছে। সম্পদের বিপরীতে আয় (রিটার্ন অন অ্যাসেট বা আরওএ), শেয়ারহোল্ডারদের মালিকানার বিপরীতে আয় (রিটার্ন অন ইকুইটি বা আরওই), শ্রেণীকৃত ঋণ (এনপিএল) অনুপাত, শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস), শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস), মূলধন পর্যাপ্ততার অনুপাত (ক্যাপিটাল অ্যাডেকোয়েসি রেশিও বা সিএআর) ও শাখাপ্রতি পরিচালন মুনাফা (ওপিবি) এগুলোর অন্যতম। একাধিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৩০টি ব্যাংক কোম্পানির প্রকাশিত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে প্রতি বছরের মতো এবারো সেরা ব্যাংকের র্যাংকিং করেছে বণিক বার্তা।

২০১৮ সালের আর্থিক প্রতিবেদনের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সাত নির্দেশকের র্যাংকিংয়ে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে অপরিবর্তিত রয়েছে যথাক্রমে ডাচ্-বাংলা, ব্র্যাক ও ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড। তবে ইপিএস ও এনএভিপিএস-বহির্ভূত তালিকায় শীর্ষ তিনে নিজেদের মধ্যে জায়গা বদল করেছে ব্যাংক তিনটি। সেখানে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে সবার উপরে উঠে এসেছে ইস্টার্ন ব্যাংক। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ব্র্যাক ও তৃতীয় ডাচ্-বাংলা ব্যাংক।

২০১৮ সালের সেরা ব্যাংকের সার্বিক তালিকায় শীর্ষ দশে জায়গা করে নেয়া অন্য ব্যাংকগুলো হলো ইসলামী ব্যাংক, প্রিমিয়ার, মার্কেন্টাইল, ট্রাস্ট, ব্যাংক এশিয়া, যমুনা ও সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড। অন্যদিকে ইপিএস ও এনএভিপিএস বাদে করা র্যাংকিংয়ে শীর্ষ দশে বাকি ব্যাংকগুলো যথাক্রমে প্রিমিয়ার, ব্যাংক এশিয়া, মার্কেন্টাইল, ট্রাস্ট, যমুনা, ইসলামী ও সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড।

দুই বছরের উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২০১৭ সালের তুলনায় ২০১৮ সালে স্কোর বেড়েছে ১৪টি ব্যাংকের। একই সময়ে সমানসংখ্যক ১৪টি ব্যাংকের স্কোর কমেছে। অপরিবর্তিত ছিল দুটি ব্যাংকের স্কোর। ২০১৮ সালে স্কোর বেড়েছে এমন ১৪টি ব্যাংক হলো ডাচ-বাংলা, ইস্টার্ন, ইসলামী ব্যাংক, প্রিমিয়ার, যমুনা, সাউথইস্ট, ঢাকা, প্রাইম, এনসিসি, উত্তরা, পূবালী, সোস্যাল ইসলামী, শাহজালাল ইসলামী ও রূপালী ব্যাংক। স্কোর কমে যাওয়া ব্যাংকগুলো হলো ব্র্যাক, মার্কেন্টাইল, ট্রাস্ট, সিটি, আল-আরাফাহ, ইউসিবি, ওয়ান, মিউচুয়াল ট্রাস্ট, এক্সিম, ন্যাশনাল, ফার্স্ট সিকিউরিটি, স্ট্যান্ডার্ড, আইএফআইসি ও এবি ব্যাংক। স্কোর অপরিবর্তিত আছে ব্যাংক এশিয়া ও তলানিতে থাকা আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের।

সাত নির্দেশকের মধ্যে তিনটিতে চ্যাম্পিয়ন হয়ে সার্বিক তালিকায় শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক। তুলনামূলক কম পরিশোধিত মূলধনের ব্যাংকটি ২০১৭ সালে ইপিএস ও এনএভিপিএসে সবচেয়ে এগিয়ে ছিল। এবার আরওইতে তারা ১১ থেকে এক নম্বরে উঠে এসেছে। আরওএ টেবিলে ১৫ থেকে দুই নম্বরে উঠে এসেছে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক। ৭০ স্কেলে ব্যাংকটির প্রাপ্ত স্কোরেও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। বণিক বার্তার স্কোরিংয়ে আগের বছর সর্বোচ্চ ৩৬ দশমিক ৬৮ নম্বর পেয়েছিল ব্যাংকটি, এবার যা ৪৩ দশমিক ২৯-এ উন্নীত হয়েছে। এদিকে ইপিএস ও এনএভিপিএস বাদ দিয়ে ৫০ স্কেলে করা স্কোরিংয়েও ব্যাংকটির প্রাপ্ত স্কোর ১৮ দশমিক ৭৬ থেকে ২৩ দশমিক ২৯-এ উন্নীত হয়েছে, যার সুবাদে ৫০ স্কেলের র্যাংকিংয়ে ১৩ থেকে তিন নম্বরে উঠে এসেছে ব্যাংকটি।

স্কোর আগের বছরের চেয়ে কিছুটা কমলেও তালিকায় দ্বিতীয় স্থান ধরে রেখেছে বাজার মূলধনে দেশের সবচেয়ে বড় ব্যাংক কোম্পানি ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড। ব্যাংকটির সার্বিক স্কোর ৩৩ দশমিক ৪১ থেকে ৩১ দশমিক ৯৪-তে নেমে এসেছে। পাঁচ নির্দেশকে স্কোর ২৬ দশমিক শূন্য ২ থেকে ২৫ দশমিক ১৩-তে নেমে আসায় ৫০ স্কেলের র্যাংকিংয়ে এক থেকে দুই নম্বরে নেমে গেছে এ বছরের আরওএ চ্যাম্পিয়ন ব্র্যাক ব্যাংক। গত বছর তারা আরওএর পাশাপাশি আরওই টেবিলেও এক নম্বরে ছিল।

ব্র্যাক ব্যাংকই দেশের সেরা ব্যাংক বলে দাবি করেন ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম আরএফ হোসেন। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, দেশের কোনো ব্যাংক আমাদের ধারেকাছেও নেই। বাজার মূলধনে আমরাই সেরা। আমাদের অর্ধেক বাজার মূলধনও দেশের অন্য কোনো ব্যাংকের নেই। বিদেশীরা ব্র্যাক ব্যাংকে বিনিয়োগের জন্য মুখিয়ে থাকে। আমাদের শেয়ারের প্রায় ৪৩ শতাংশ বিদেশীদের। দেশের অন্য কোনো ব্যাংকের শেয়ারের প্রতি বিদেশীদের এতটা আস্থা নেই। ক্রেডিট রেটিংয়ের দিক থেকেও ব্র্যাক ব্যাংকই সেরা।

খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণ ও শাখাপ্রতি পরিচালন মুনাফার টেবিলে শীর্ষস্থান ধরে রেখে সার্বিক টেবিলে তিন নম্বরে স্থির রয়েছে ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড। ব্যাংকটির সার্বিক স্কোর ৩০ দশমিক ৪৭ থেকে ৩১ দশমিক ৮৯-তে উন্নীত হয়েছে। ৫০ স্কেলে স্কোর ২৫ দশমিক ৩২ থেকে ২৫ দশমিক ৯২ পয়েন্টে উন্নীত হওয়ায় ইপিএস ও এনএভিপিএস বাদ দিয়ে করা র্যাংকিংয়ে দুই থেকে এক নম্বরে উঠে এসেছে ইস্টার্ন ব্যাংক।

এবারের তালিকায় সবচেয়ে বড় চমক দেখিয়েছে ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড। বিনিয়োগকারীদের নানা শঙ্কার মধ্যেও স্কোর ২৩ দশমিক ৩৩ থেকে ২৫ দশমিক ৯৩-তে উন্নীত হওয়ায় সার্বিক র্যাংকিংয়ে ১২ থেকে চার নম্বরে উঠে এসেছে পরিচালন কলেবরে দেশের সবচেয়ে বড় বেসরকারি ব্যাংকটি। ৫০ স্কেলে তাদের স্কোর ১৮ দশমিক ১৫ থেকে ১৯ দশমিক ৮৭-তে উন্নীত হয়েছে। ইপিএস ও এনএভিপিএস বাদে করা র্যাংকিংয়ে তাদের অবস্থান ১৬ থেকে ৯-এ উন্নীত হয়েছে।

আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় ইসলামী ব্যাংকের অবস্থা ভালো বলে মনে করেন ব্যাংকটির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু রেজা মো. ইয়াহইয়া। তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংক দেশের সর্ববৃহৎ ব্যাংক। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ইসলামী ব্যাংক সমৃদ্ধির পথে হেঁটেছে। যেকোনো বিচারে ব্যাংকের বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ অনেক বেশি দক্ষ ও যোগ্যতাসম্পন্ন। ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পরিচালকদের তিনজন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বিভিন্ন ব্যাংকের সাবেক এমডিসহ অভিজ্ঞ ও যোগ্যদের দ্বারা ইসলামী ব্যাংক পরিচালিত হচ্ছে।

আবু রেজা মো. ইয়াহইয়া বলেন, ইসলামী ব্যাংকের কর্মীরা গ্রাহকাসেবা ও সন্তুষ্টি অর্জনে নিবেদিতপ্রাণ। এ কারণে এ ব্যাংকের প্রতি গ্রাহকদের আস্থা আরো সুদৃঢ় হয়েছে। এছাড়া ব্যাংকের অভ্যন্তরে সুশাসন কার্যকর হয়েছে। নিয়ন্ত্রণে রয়েছে ব্যাংকের খেলাপি ঋণ। আমানতের সদ্ব্যবহারের ফলে ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে। আগামীতে ইসলামী ব্যাংক আরো ভালো করবে।

এবারের উত্থান চ্যাম্পিয়নদের মধ্যে অন্যতম প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেড। আগের বছর দুই ধাপ এগিয়ে ১৫-তে উন্নীত হয়েছিল ব্যাংকটি। এবার সার্বিক র্যাংকিংয়ে পাঁচ নম্বরে এবং ৫০ স্কেলের র্যাংকিংয়ে ১৪ থেকে চার নম্বরে উঠে এসেছে ব্যাংকটি। ৭০-এ তাদের স্কোর ২২ দশমিক ৩১ থেকে ২৫ দশমিক ৮৩ এবং ৫০ স্কেলে ১৮ দশমিক ৫৩ থেকে ২২ দশমিক শূন্য ১-এ উন্নীত হয়েছে।

র্যাংকিংয়ে বড় উল্লম্ফনের বিষয়ে প্রিমিয়ার ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম রিয়াজুল করিম বলেন, একই মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে প্রধান কার্যালয় থেকে শুরু করে শাখা পর্যন্ত প্রত্যেক কর্মী কাজ করছেন। সে মন্ত্র হলো ব্যাংকের সমৃদ্ধি ও উন্নতি। সবাই নিজ নিজ অবস্থানে উন্নতি করায় ব্যাংক সমৃদ্ধ হয়েছে।

তিনি বলেন, ২০১৮ সালের শুরু থেকে আমরা ব্যালান্সশিটের প্রতিটি প্যারামিটার ধরে কাজ করেছি। আমরা এর সুফলও পেয়েছি। প্রিমিয়ার ব্যাংকের কস্ট অব ফান্ড কমে এসেছে। বড় ঋণ থেকে বেরিয়ে এসএমই ও রিটেইল ব্যাংকিংয়ে জোর দেয়া হয়েছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রিমিয়ার ব্যাংক ছড়িয়ে পড়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে ব্যাংক সমৃদ্ধ হয়েছে। বিভিন্ন স্কুল-কলেজে আমরা এটিএম বুথ স্থাপন করেছি। ওইসব স্কুল-কলেজের ছাত্রদের ব্যাংক হিসাব চালু করায় প্রিমিয়ার ব্যাংকের আমানত বেড়েছে। বিদায়ী বছরজুড়ে পুরো ব্যাংকিং খাত তারল্য সংকটে ভুগলেও আমাদের সেটি হয়নি। এখনো প্রিমিয়ার ব্যাংকের এডি রেশিও ৮০ শতাংশে সীমাবদ্ধ। বিদায়ী বছরে আমাদের খেলাপি ঋণ কমেছে। আমদানি-রফতানিসহ ব্যাংকের ব্যবসার পরিধি বেড়েছে। আশা করছি, চলতি বছর প্রিমিয়ার ব্যাংক আরো ভালো করবে।

স্কোর কিছুটা কমার পাশাপাশি উভয় স্কেলের র্যাংকিংয়ে চার থেকে ছয় নম্বরে নেমে এসেছে আগের বছর চমক দেখানো মার্কেন্টাইল ব্যাংক। সাত নির্দেশকের মধ্যে রিটার্ন অন ইকুইটি টেবিলে তাদের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান সবচেয়ে ভালো, তিন নম্বরে। আগের বছর আরওইতে চার নম্বরে থাকলেও আরওই এবং ইপিএসে তৃতীয় স্থানে ছিল ব্যাংকটি। সার্বিক স্কেলে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের স্কোর ২৭ দশমিক ১১ থেকে ২৫ দশমিক ৬১-তে এবং ৫০ স্কেলে ২২ দশমিক ২৫ থেকে ২০ দশমিক ৯৪-তে নেমে গেছে।

এ প্রসঙ্গে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. কামরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের স্লোগান হলো ‘বাংলার ব্যাংক’। এ স্লোগানকে ধারণ করেই আমরা ধারাবাহিক উন্নতি করছি। আমাদের খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। গ্রাহকদের সর্বোত্কৃষ্ট সেবা দেয়ার চেষ্টা করছি। চলতি বছর মার্কেন্টাইল ব্যাংক আরো ভালো করবে।

বণিক বার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি।

সম্পাদক ও প্রকাশক: দেওয়ান হানিফ মাহমুদ

বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বিডিবিএল ভবন (লেভেল ১৭), ১২ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫

পিএবিএক্স: ৮১৮৯৬২২-২৩, ই-মেইল: [email protected] | বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন বিভাগ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৬১৯