আন্তর্জাতিক ব্যবসা

ইউএইতে এক বছরে ২ হাজার মিলিয়নেয়ারের অভিবাসন

বণিক বার্তা ডেস্ক    | ২২:২০:০০ মিনিট, এপ্রিল ২৩, ২০১৯

২০১৮ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেছেন আরো দুই হাজার মিলিয়নেয়ার, যাদের প্রত্যেকের অন্তত ১০ লাখ ডলার (১ মিলিয়ন) নিট সম্পদ রয়েছে। গ্লোবাল ওয়েলথ মাইগ্রেশন রিপোর্ট ফর ২০১৯-এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর অ্যারাবিয়ান বিজনেস।

আফ্রোএশিয়া ব্যাংক ও নিউ ওয়ার্ল্ড ওয়েলথের অর্থায়নে পরিচালিত গ্লোবাল ওয়েলথ মাইগ্রেশন রিপোর্টটিতে বলা হয়, ২০১৮ সালে ইউএইতে বিত্তশালীদের অভিবাসনের হার গত বছরের চেয়ে ২ শতাংশ বেড়েছে।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, শুধু দুবাইয়েই অন্যান্য দেশ থেকে এক হাজারেরও বেশি মিলিয়নেয়ার অভিবাসন করেছেন, যা লস অ্যাঞ্জেলেস, মেলবোর্ন, মিয়ামি, নিউইয়র্ক, সানফ্রান্সিসকো বা সিডনি থেকে বেশি।

বিত্তশালী অভিবাসীদের ইউএইতে আবাসন গাড়ার কারণ বলতে গিয়ে দুবাইয়ের ক্রাউন প্রিন্স শেখ হামদান বিন মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাখতুম বলেন, ইউএইতে আমরা একটি শক্তিশালী বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টি করতে পেরেছি। তাই এটি শীর্ষস্থানীয় লাইফস্টাইল ও ব্যবসায় গন্তব্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যের উল্লেখযোগ্য আর্থিক কেন্দ্র ও অঞ্চলটির অন্যতম নিরাপদ শহরেরও একটি হচ্ছে দুবাই। একই সঙ্গে উচ্চ আয়ের মানুষ ও বিত্তশালীদের জন্য জনপ্রিয় একটি গন্তব্যও দুবাই।

২০১৮ সালে বৈশ্বিকভাবেই বিত্তশালীদের অভিবাসন বেড়েছে বলে প্রতিবেদনটিতে দাবি করা হয়েছে। গত বছর প্রায় ১ লাখ ৮ হাজার মিলিয়নেয়ার অন্য দেশে স্থায়ী হয়েছেন, যেখানে ২০১৭ সালে এ সংখ্যা ছিল ৯৫ হাজার। চীন থেকে সর্বাধিক মিলিয়নেয়ার অভিবাসী হয়েছেন, যার সংখ্যা ১৫ হাজার। তার পরই রয়েছে রাশিয়া, যেখান থেকে অভিবাসী হয়েছেন সাত হাজার মিলিয়নেয়ার। ভারতের পাঁচ হাজার, তুরস্কের চার হাজার এবং ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের তিন হাজার করে মিলিয়নেয়ার অভিবাসী হয়েছেন।

নিজেদের অবস্থান পাল্টানোর ক্ষেত্রে প্রধান অনুঘটক হিসেবে কাজ করছে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা, আধুনিক জীবনযাপন, জীবনযাপনের উচ্চমান, শিক্ষার ভালো সুযোগ ও স্বাস্থ্যসেবার মতো বিষয়গুলো।

মিলিয়নেয়ারদের কাছে একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে দুবাইয়ের অনেক ইতিবাচক দিক রয়েছে বলে প্রতিবেদনটিতে দাবি করা হয়। অসাধারণ ব্যবসায় প্রণোদনা, শক্তিশালী বৈদেশিক বাণিজ্য ও আন্তর্জাতিক সংযোগের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিত্তশালীদের আকৃষ্ট করতে সক্ষম হয়েছে ইউএই।