টকিজ

১৫ বছর ধরে শিশুদের সঙ্গী ‘সিসিমপুর’

ফিচার প্রতিবেদক | ১৮:৪৩:০০ মিনিট, এপ্রিল ১৬, ২০১৯

চোখ রাখুন আজ থেকে দুই দশক আগের বাংলাদেশের দিকে। যখন অনেক দেশ এগিয়ে গেলেও বাংলাদেশ একেবারেই পিছিয়ে ছিল শিশুর বেড়ে ওঠা এবং এ-বিষয়ক শিক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়নে। মীনা কার্টুনের মতো হাতেগোনা দুয়েকটি অনুষ্ঠান তৈরি হলেও তা ছিল মূলত শৈশব পেরিয়ে কৈশোরে পা রাখা বিদ্যালয়মুখী শিশুদের জন্য নির্মিত। ফলে সে সময় তিন থেকে আট বছর বয়সী লাখ লাখ শিশু বঞ্চিত হতো প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম থেকে। এতে করে শুরুতেই শিশু তার স্বাভাবিক বেড়ে ওঠার পরিবেশ থেকে বঞ্চিত হতো। এমন সংকট থেকে উত্তরণের চ্যালেঞ্জ নিয়ে বাংলাদেশে যাত্রা করে ‘সিসিমপুর’ নামের একটি শিশুতোষ অনুষ্ঠান।

‘পৃথিবীটা দেখছি, প্রতিদিন শিখছি’ মন্ত্রণা নিয়ে এগিয়ে চলা জনপ্রিয় শিশুতোষ অনুষ্ঠান সিসিমপুর গতকাল পা রাখল পথচলার ১৫ বছরে। ২০০৫ সালের ১৫ এপ্রিল বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারের মধ্য দিয়ে যাত্রা করে অনুষ্ঠানটি। এরপর ধারাবাহিকভাবে নিত্যনতুন শিক্ষামূলক কার্যক্রম প্রচার করে এ দেশের শিশুদের জনপ্রিয় অনুষ্ঠানে পরিণত হতে সক্ষম হয় সিসিমপুর। যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম জনপ্রিয় শিশুতোষ অনুষ্ঠান সিসেমি স্ট্রিটের আদলে এ অনুষ্ঠান মূলত তিন থেকে আট বছর বয়সী শিশুর প্রারম্ভিক শিক্ষার উদ্দেশ্যে নির্মিত।

যাত্রার পর থেকেই আনন্দ আর খেলার ছলে সিসিমপুর ভূমিকা রেখে চলেছে শিশুর সামগ্রিক বিকাশে। ভাষা, বর্ণ, গণিত, পরিবেশ, জেন্ডার সমতা, সামাজিক মূল্যবোধ ও আচার-আচরণ, ভিন্নতা ও বৈচিত্র্যের প্রতি সহনশীলতা ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে শেখায় সিসিমপুরের পাঠক্রম। এমনকি নিশ্চিত ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে শিশুদের জমা, খরচ ও সঞ্চয় সম্পর্কেও বার্তা দেয়া হয় অনুষ্ঠানটির মাধ্যমে।

সিসিমপুর তার টেলিভিশন অনুষ্ঠান ও মুদ্রিত বিভিন্ন উপকরণের মাধ্যমে শিশুকে বর্ণ চেনা, শব্দ থেকে বর্ণ চিহ্নিতকরণ, বর্ণ দিয়ে শব্দ মেলানো, শব্দ দিয়ে বাক্য তৈরি করতে সাহায্য করে। সাহায্য করে চারপাশের পরিবেশ থেকে উপকরণ খুঁজে নিয়ে সেগুলোর মাধ্যমে বর্ণ ও শব্দ চিনতে।

বণিক বার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি।

সম্পাদক ও প্রকাশক: দেওয়ান হানিফ মাহমুদ

বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বিডিবিএল ভবন (লেভেল ১৭), ১২ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫

পিএবিএক্স: ৮১৮৯৬২২-২৩, ই-মেইল: [email protected] | বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন বিভাগ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৬১৯