খেলা

শেখ কামাল অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল : ৮ বিভাগের আয়োজন চূড়ান্ত

ক্রীড়া প্রতিবেদক | ০৩:৩২:০০ মিনিট, এপ্রিল ১৪, ২০১৯

দেশব্যাপী বাছাই শেষে গড়া হয় আট বিভাগীয় দল। দুই বিভাগে ভাগ হয়ে খেলবে আট দল। অনূর্ধ্ব-২০ বয়স বিভাগে শেখ কামাল জাতীয় যুব ফুটবল এখন শুরুর প্রতীক্ষায়।

গতকাল রাজধানীর পূর্বাণী হোটেলে অনুষ্ঠিত হয় আসরের লোগো উন্মোচন। বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সদস্য সচিব শেখ হাফিজুর রহমান লোগো উন্মোচন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিযোগিতার আয়োজক বাংলাদেশ জেলা ও বিভাগীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (বিডিডিএফএ) সদস্য সচিব তরফদার মোহাম্মদ রুহুল আমীন।

‘ক’ গ্রুপের খেলা হবে নড়াইলে। এ ভেনুতে অংশগ্রহণ করবে খুলনা, ঢাকা, রংপুর ও বরিশাল বিভাগ। নাটোরে ‘খ’ গ্রুপে অংশগ্রহণ করবে রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ। ১৭ থেকে ২২ এপ্রিল গ্রুপ পর্বের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ২৫ ও ২৬ এপ্রিল কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হবে দুটি সেমিফাইনাল ম্যাচ। ২৮ এপ্রিল কক্সবাজারেই ফাইনাল ম্যাচ দিয়ে শেষ হবে এবারের আসর।

‘বাংলাদেশে তারুণ্যের প্রতীক হিসেবে শেখ কামাল চিরদিনই স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তার চিন্তা-চেতনায় সর্বদাই ছিল সৃষ্টিশীল উদ্ভাবনী বৈশিষ্ট্য। শেখ কামাল জাতীয় ফুটবল তরুণদের মাঝে জাগরণ সৃষ্টি করবে; যা শেখ কামালের চিন্তা-চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ’—গতকাল লোগো উন্মোচন অনুষ্ঠানে বলেন শেখ হাফিজুর রহমান।

অনুষ্ঠানে তরফদার মোহাম্মদ রুহুল আমীন বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু পরিবার খেলাধুলার সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত। দেশের প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়াপ্রেমী হওয়ার পরও ফুটবল কাঙ্ক্ষিত গতিতে এগোতে পারেনি, বরং পিছিয়েছে। আমরা এ অবস্থার পরিবর্তন চাই। দেশের ফুটবলে জাগরণ সৃষ্টির লক্ষ্যই শেখ কামাল জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা আয়োজনের উদ্যোগ।’

প্রতিযোগিতা আয়োজনের লক্ষ্য বিডিডিএফএ দেশের আট বিভাগীয় ভেনুতে ৬৪ জেলার ফুটবলার বাছাই করে। হাসানুজ্জামান খান বাবলু, ইমতিয়াজ সুলতান জনি, শেখ মোহাম্মদ আসলামের মতো সাবেক তারকা ফুটবলাররা খেলোয়াড় বাছাই করেন।

প্রাথমিকভাবে আট বিভাগ থেকে ৭০০ ফুটবলার বাছাই করা হয়। পরবর্তীতে প্রতি বিভাগীয় দলের জন্য ৩০ জন করে ফুটবলার মনোনীত হন। সেখান থেকে বিভাগীয় দলের ১৮ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড বেছে নেয়া হয়। ৪৫ দিনের আবাসিক ক্যাম্পে ফুটবলারদের প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রতিযোগিতার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

কেবল খেলোয়াড় বাছাইয়ের পর প্রতিযোগিতা আয়োজন করেই দায়িত্ব শেষ করতে নারাজ বিডিডিএফএ। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করা ফুটবলারদের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় পেশাদার চুক্তি করার কথা জানিয়েছেন বিডিডিএফএ কর্মকর্তারা। ওই চুক্তির আওতায় থাকা ফুটবলারদের স্থানীয় ক্লাবগুলো নিতে চাইলে তা পেশাদার চুক্তির মাধ্যমে নিতে হবে। ওই চুক্তি থেকে প্রাপ্ত অর্থ সংশ্লিষ্ট জেলা ও বিভাগীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন পাবে।

অনূর্ধ্ব-২০ বয়স বিভাগে এ প্রতিযোগিতা আয়োজন সম্পর্কে আয়োজক কমিটির তরফ থেকে জানানো হয়, জাতীয় দলের পাইপলাইনে খেলোয়াড় সংকট প্রকট। ওই সংকট দূর করতে প্রাথমিকভাবে অনূর্ধ্ব-২০ বয়স বিভাগে প্রতিযোগিতা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ভবিষ্যতে অন্যান্য বয়স বিভাগে প্রতিযোগিতা আয়োজনের মাধ্যমে বয়সভিত্তিক দলগুলোর পাইপলাইনে খেলোয়াড় সংকট দূর করার পরিকল্পনা আছে।