আন্তর্জাতিক খবর

সিরিয়াকে একঘরে করতে উপসাগরীয় দেশগুলোকে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

বণিক বার্তা ডেস্ক | ২১:০৫:০০ মিনিট, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৯

সিরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ (ইউএই) উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে লবিং শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও প্রতিদ্বন্দ্বী ইরানের আঞ্চলিক প্রভাবকে টেক্কা দিতে দামেস্কের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছে ইউএই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পাঁচটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। খবর রয়টার্স।

যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরনের পদক্ষেপের ফলে প্রায় আট বছর গৃহযুদ্ধের পর সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা ধরে রাখতে পারবেন কিনা, সে প্রশ্নে আগাম পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছেন।

গৃহযুদ্ধ শুরুর পর থেকেই মূলত আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে বিচ্ছিন্ন হতে শুরু করে সিরিয়া। এর মধ্যে উপসাগরীয় অনেক দেশই দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে, সিরিয়ায় তাদের দূতাবাস বন্ধ করেছে অথবা সংখ্যা কমিয়ে এনেছে। শুধু তা-ই নয়, আরব লিগ থেকে সিরিয়ার সদস্যপদ স্থগিত করা ছাড়াও ফ্লাইট চলাচল এবং সীমান্ত পারাপারও বন্ধ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও অন্য দেশগুলো দেশটির ওপর অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করেছে।

এদিকে যুদ্ধ বন্ধে একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় সম্মত না হওয়া পর্যন্ত সিরিয়া আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ফিরে আসুক, তা চায় না ওয়াশিংটন। এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রয়েছে সৌদি আরব, কাতারসহ উপসাগরীয় দেশগুলো।

সিরিয়াকে একঘরে করা প্রসঙ্গে কূটনৈতিক চাপ নিয়ে এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, ‘অন্য দেশগুলোকে চাপ দেয়ার ক্ষেত্রে সৌদি সহায়তা করছে। কাতারও তার মতো করে পাশে রয়েছে।’

যুক্তরাষ্ট্র ও আঞ্চলিক শক্তিশালী দেশগুলোর এ অবস্থানের কারণে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটি নিজেদের ঢেলে সাজাতে বিনিয়োগ আকর্ষণ রীতিমতো বাধার মুখে পড়বে।