শেষ পাতা, সংসদ নির্বাচন, , ,

সংসদের প্রথম অধিবেশন ৩০ জানুয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০১:৩৮:০০ মিনিট, জানুয়ারি ১০, ২০১৯

একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে ৩০ জানুয়ারি বেলা ৩টায়। গতকাল রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সংসদের এ অধিবেশন আহ্বান করেন। ৩ জানুয়ারি শপথ নেন নতুন সংসদের সদস্যরা। নিয়ম অনুযায়ী শপথ নেয়ার ৩০ দিনের মধ্যে প্রথম অধিবেশন বসার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

দশম সংসদের মতো এবারো বিরোধী দলের আসনে বসতে যাচ্ছে জাতীয় পার্টি। তবে গত সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদের পরিবর্তে এবার ওই পদে বসবেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ। বিরোধীদলীয় উপনেতা থাকবেন জিএম কাদের। আর বিরোধীদলীয় প্রধান হুইপ হচ্ছেন মসিউর রহমান রাঙ্গা।

৭ জানুয়ারি টানা তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শেখ হাসিনা। ওইদিন নতুন সরকারের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরাও শপথ নেন। গতবার বিরোধী দলের পাশাপাশি মন্ত্রিসভায়ও ছিল জাতীয় পার্টি। তবে এবার জাতীয় পার্টি বা আওয়ামী লীগের শরিকদের কেউই এখন পর্যন্ত সরকারে নেই।

২৮ জানুয়ারি শেষ হচ্ছে দশম জাতীয় সংসদের মেয়াদ। নিয়ম অনুযায়ী একাদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুর দিন ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। পরে অধিবেশনজুড়ে ওই ভাষণের ওপর আলোচনা করবেন সংসদ সদস্যরা। অধিবেশন শুরুর পর প্রথমেই হবে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আবারো একই পদে রাখার বিষয়ে রংপুরে নির্বাচনী জনসভায় ইঙ্গিত দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে ডেপুটি স্পিকার কে হবেন সে বিষয়ে এখনো কোনো আভাস পাওয়া যায়নি।

সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের পর অধিবেশন কিছু সময় মুলতবি রাখা হবে। এ সময় সংসদে অবস্থানরত রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার শপথ নেবেন। পরে নবনির্বাচিত স্পিকারের সভাপতিত্বে শুরু হবে সংসদের বৈঠক। বৈঠক শুরুর পর নতুন স্পিকার সংসদে শোক প্রস্তাব উত্থাপন করবেন। তবে তার অধ্যাদেশ সংসদে তুলবেন আইনমন্ত্রী। একাদশ সংসদে নির্বাচিত সদস্য আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামসহ অন্যদের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব তোলা হবে। বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য মারা গেলে শোক প্রস্তাবের আলোচনা শেষে অধিবেশন মুলতবির রেওয়াজ আছে। তবে রাষ্ট্রপতির ভাষণের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে কিছু সময়ের জন্য অধিবেশন মুলতবি রাখা হবে। এরপর আবার সংসদের বৈঠক শুরু হলে স্পিকার রাষ্ট্রপতিকে ভাষণ দেয়ার জন্য আহ্বান জানাবেন। রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর অধিবেশন রেওয়াজ অনুযায়ী মুলতবি করা হবে।