খবর

বিদ্যুৎ বিল বকেয়া ১ হাজার ৪৩৫ কোটি টাকা: নসরুল হামিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১১:১৫:০০ মিনিট, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৮

সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে বকেয়া বিদ্যুৎ বিলের পরিমাণ ১ হাজার ৪৩৫ কোটি ৩১ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৪০ মন্ত্রণালয়ের কাছেই পাওনা ৬৬৮ কোটি টাকা। আর আধা সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার কাছে বকেয়া আছে ৭৬৬ কোটি টাকা।

গতকাল সরকারদলীয় সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবুর প্রশ্নের উত্তরে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এ কথা বলেন। এর আগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়।

প্রতিমন্ত্রীর দেয়া তথ্যানুযায়ী, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৯৫ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কাছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬৪ কোটি টাকা বকেয়া আছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে।

জাতীয় পার্টির সদস্য ফখরুল ইমামের সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে নসরুল হামিদ বলেন, একমাত্র বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় ৩০০ নির্বাচনী এলাকায় নির্দিষ্ট তারিখ দিয়ে বিদ্যুতায়নের কাজ করছে। এখন পর্যন্ত ৯২ শতাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়া হয়েছে, বাকিটাও দ্রুতই শেষ করা হবে।

তিনি বলেন, আমাদের টার্গেট ২০১৮ সালের মধ্যে শতভাগ বিদ্যুতায়ন। আমাদের জন্য প্রতিটি এলাকায় খাল-বিল অতিক্রম করে নতুন ট্রান্সফরমার, মাইলকে মাইল তার টেনে নতুন গ্রিড লাইন করে সীমিত অর্থের মধ্যে কাজ করাটা খুবই চ্যালেঞ্জ। আগামীতে আমরা চাইব বিদ্যুৎ খাতে অর্থ বেগবান করার জন্য অর্থমন্ত্রী আন্তরিক হবেন। এজন্য সব সংসদ সদস্যকে একত্রিতভাবে কাজ করতে হবে।

কামাল আহমেদ মজুমদারের প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজধানীর ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকার বর্জ্য থেকে ৬০-৭০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে বেসরকারি উদ্যোক্তা নিয়োগের মাধ্যমে আইপিপি হিসেবে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন পরিকল্পনার আওতায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৩৫ মেগাওয়াট এবং উত্তর সিটি করপোরেশনে ৩৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করার প্রক্রিয়াকরণ চলছে।