টেলিকম ও প্রযুক্তি

প্রতিষ্ঠানহারা প্রতিষ্ঠাতা!

২১:৪৩:০০ মিনিট, মে ২৪, ২০১৮

কোম্পানি প্রতিষ্ঠা আর তার ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা— দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। অনেক সময় পরিচালনা পর্ষদ চাইলে খোদ প্রতিষ্ঠাতাকেও নিজের গড়া কোম্পানি ছাড়তে হয়। প্রযুক্তি খাতের এমন অনেক উদ্যোক্তা রয়েছেন, যাদের একসময় নিজের প্রতিষ্ঠান থেকে দূরে থাকতে হয়েছে। বিজনেস ইনসাইডারের তালিকা অবলম্বনে প্রযুক্তি খাতের এ ধরনের কয়েকজন উদ্যোক্তা নিয়ে আয়োজনের আজ শেষ পর্ব—

স্যান্ডি লারনার
২১ হাজার ৭৫৬ কোটি ডলার বাজারমূল্যের কোম্পানি সিসকো সিস্টেমসের সহপ্রতিষ্ঠাতা স্যান্ডি লারনার। ১৯৯০ সালে সিসকো পাবলিক কোম্পানিতে পরিণত হওয়ার পর পরই প্রতিষ্ঠানটিতে নিজের পদ হারান তিনি। ১৯৮৪ সালের ডিসেম্বরে কার্যক্রম শুরু করে সিসকো। সে সময়কার এক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে নিয়ন্ত্রণ হারান লারনার। সিসকো সিস্টেমস থেকে বেরিয়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতা মোটেও ভালো ছিল না বলেই উল্লেখ করেন তিনি। 

অ্যান্ড্রু ম্যাসন
২০০৮ সালে কার্যক্রম শুরু করে মার্কিন বহুজাতিক ই-কমার্স মার্কেট প্লেস গ্রুপন। সাড়ে চার বছর গ্রুপনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) দায়িত্ব পালনের পর চাকরি ছাড়তে হয় সহপ্রতিষ্ঠাতা অ্যান্ড্রু ম্যাসনকে। গ্রুপন ছাড়ার সময় রসিকতা করে বলেন, ‘সাড়ে চার বছর বেশ দীর্ঘ সময়, এখন আমি পরিবারকে সময় দিতে চাই। মজা করছিলাম, আমি আসলে আজ চাকরিচ্যুত হয়েছি।’

এডুয়ার্ডো স্যাভরিন
সোস্যাল মিডিয়া জায়ান্ট ফেসবুকের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও একসময়ের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) এডুয়ার্ডো স্যাভরিন চাকরিচ্যুত হয়েছিলেন মার্ক জাকারবার্গের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে। ফেসবুকের জন্য তহবিল সংগ্রহের বিষয়ে মতপার্থক্যের কারণে ফেসবুক থেকে সরিয়ে দেয়া হয় তাকে। ফেসবুক ছেড়ে যাওয়ার সময় মার্ক জাকারবার্গের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নিয়ে যাননি বলেই জানান স্যাভরিন।