খবর

হার্ট ফেইলিয়র মানেই মৃত্যু নয়: ডা. বরুণ শেঠি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০১:০২:০০ মিনিট, জানুয়ারি ১৩, ২০১৮

এশিয়ায় মানুষের মৃত্যুর অন্যতম কারণ হচ্ছে, হার্ট ফেইলিয়র বা হৃদযন্ত্র অচল হয়ে যাওয়া। তবে হৃদযন্ত্র অচল হয়ে পড়া যেসব রোগীর কোনো ধরনের ওষুধ বা শল্যচিকিৎসায় আর কাজ হয় না, তাদের বেঁচে থাকার একটি সুযোগ হলো কৃত্রিম হার্ট প্রতিস্থাপন। হার্ট ফেইলিয়র মানেই মৃত্যু নয়। হার্ট ফেইলিয়রের পরেও কৃত্রিম হার্ট প্রতিস্থাপন করে একজন মানুষ স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারেন। জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে গতকাল নারায়ণ হেলথ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দেবি প্রসাদ শেঠির ছেলে ডা. বরুণ শেঠি।

ডা. বরুণ শেঠি বলেন, হার্ট কাজ করা বন্ধ করে দিলে একটা যন্ত্র লাগিয়ে আর্টিফিশিয়ালি হৃদযন্ত্র সচল রাখা যায়। কৃত্রিম হার্ট প্রতিস্থাপন করে একজন মানুষ সারা জীবন স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম হার্ট প্রতিস্থাপনকারী জামাল। ৪৫ বছর বয়সী জামাল বলেন, ১১ বছর ধরে হৃদরোগে ভোগার পর দুই বছর আগে নারায়ণ হেলথে চিকিৎসার জন্য যান তিনি। সেখানে চিকিত্সকদের পরামর্শ অনুযায়ী গত বছরের নভেম্বরে তার হার্ট প্রতিস্থাপন করা হয়। হার্টবিট ছাড়াই ব্যাটারির সাহায্যে জামালের হার্টের কার্যক্রম চলছে। হৃদযন্ত্রের সঙ্গে সংযুক্ত একটি নলের মাধ্যমে দুটি ব্যাটারি থেকে চার্জ নিয়ে কৃত্রিম হার্ট সচল থাকে। ব্যাটারির চার্জ থাকে ১০ ঘণ্টা। জামালের সঙ্গে সবসময় একটি ব্যাগের মধ্যে এ ব্যাটারি থাকে। তার চিকিৎসায় খরচ হয়েছে ৪৫ লাখ টাকা।

নারায়াণ হেলথের ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটিং ম্যানেজার রানা ভট্টাচার্য বলেন, কৃত্রিম হার্ট প্রতিস্থাপন ব্যয় ১ কোটি টাকার বেশি হলেও নারায়ণ হেলথে ভর্তুকির ব্যবস্থা রয়েছে। ভর্তুকির কারণে এক্ষেত্রে রোগীর ব্যয় হয় ৪৫-৫০ লাখ টাকা।