দেশের খবর

ভারি বর্ষণ

রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম সড়কে ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ

বণিক বার্তা প্রতিনিধি খাগড়াছড়ি | ২১:৪৫:০০ মিনিট, আগস্ট ১৩, ২০১৭

টানা বৃষ্টিতে রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের ঘাগড়া এলাকায় পাহাড় ধসের কারণে ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। গত শুক্রবার দুপুরের দিকে ঘাগড়ায় সড়কের ওপর পাহাড় ধসে পড়ায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তবে কয়েক ঘণ্টা  পর স্থানীয় লোকজন রাস্তা থেকে মাটি সরিয়ে নিলে হালকা যানবাহন চলাচল শুরু হয়।

রাঙ্গামাটি সড়ক জনপথ (সওজ) বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. মুছা জানান, ভারি বৃষ্টির কারণে কিছু কিছু স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম সড়কে ছোট যান চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও ভারী যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টির কারণে দুপুরের দিকে রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের বেশ কয়েকটি স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে ঘাগড়া এলাকায় পাহাড়ের মাটি ধসে রাস্তায় নেমে আসায় ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গতকাল সকাল থেকে টানা বৃষ্টির কারণে ঘাগড়ার কলাবাগান এলাকায়ও পাহাড় থেকে আবারো মাটি ধসে পড়ে। ভাগ্য ভালো, এ সময় কোনো গাড়ি ওই এলাকায় ছিল না। গাড়ি থাকলে হয়তো বিপদ হতে পারত। পরে এলাকার লোকজন এবং সিএনজি-চালকরা নিজেদের উদ্যোগে রাস্তার মাটি সরিয়ে ছোট যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করে।

এদিকে গতকাল সকালেও বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় রাঙ্গামাটি শহরের পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থানকারী লোকজনকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে বলা হয়েছে।

রাঙ্গামাটি জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা বিশ্বনাথ মজুমদার জানান, আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, আগামী দু-একদিন আরো বৃষ্টি হবে। তাই জেলা প্রশাসনের নির্দেশে গত শুক্রবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রাঙ্গামাটি শহরের বিভিন্ন স্থানে মাইকিং করা হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

রাঙ্গামাটির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক প্রকাশ কান্তি চৌধুরী জানান, ভারি বর্ষণের ফলে রাঙ্গামাটির পাহাড়গুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেছে। তাই রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি।